WB Elections 2nd Phase: মমতার পায়ের তলায় ঠাঁই হবে সিঙ্ঘমের, ভবিষ্যদ্বাণী শুভশ্রীর

Subhashree Ganguly on IPS Ajal Pal Sharma: বাংলা বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় নতুন এন্ট্রি সিঙঘ্ম ভার্সেস পুষ্পা বিতর্ক। এর নেপথ্যে রয়েছে নেপথ্যে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ও ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হওয়া উত্তরপ্রদেশের ‘সিঙ্ঘম’ অজয় পাল শর্মা। তৃণমূলের প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার ভিডিয়ো এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল।

|

Apr 29, 2026 | 5:38 PM

বাংলা বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় নতুন এন্ট্রি ‘সিঙঘ্ম’ (Singham) ভার্সেস ‘পুষ্পা’ (Pushpa) বিতর্ক। এর নেপথ্যে রয়েছে নেপথ্যে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ও ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হওয়া উত্তরপ্রদেশের ‘সিঙ্ঘম’ অজয় পাল শর্মা (Ajay pal Sharma )। তৃণমূলের প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার ভিডিয়ো এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল।

তারপরই অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এই সিঙ্ঘম নিয়ে যখন বাংলা রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক তখনই নিজের ভোট বুথে দাঁড়িয়েই ভোটের ফলাফল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করে ফেললেন পরিচালক ও ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর বউ তথা অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। সিঙ্ঘম নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করতেই টলিউডের লেডি সুপারস্টারের সপাট জবাব, মা দুর্গার পায়ের তলাতেই ঠাঁই হবে সিঙ্ঘমের!

কী বললেন শুভশ্রী?

ব্যাপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক। নিজের আবাসনেই ভোট দিয়েছেন শুভশ্রী। সঙ্গে ছিলেন স্বামী রাজ চক্রবর্তীও। ভোট দেওয়ার পর সিঙ্ঘম অজয় পাল শর্মাকে নিয়ে প্রশ্ন করতেই শুভশ্রী বলেন, ”আমি একজন নেতার স্ত্রী হয়ে নই। একজন আমজনতা হয়ে বলতে চাই, সিঙ্ঘম বা সিংহ, মা দুর্গার পায়ের তলায় থাকে। আমাদের এখানে মা দুর্গা রয়েছে, তারই রাজ চলবে।” শুভশ্রী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরাসরি নাম না করলেও, মমতাই যে তাঁর কাছে মা দুর্গার রূপ, তা কিন্তু স্পষ্ট তাঁর বক্তব্যে।

অন্য়দিকে, শুভশ্রীর পাশে দাঁড়িয়ে সিঙ্ঘম প্রসঙ্গে রাজ বলেন, ”বার বার বাংলাকে বদনাম করার চেষ্টা বিজেপি সরকারের। এর জবাব বাংলার মানুষ দেবে। সকাল থেকেই অবশ্য জবাব দেওয়া শুরু হয়েছে। ইভিএম মেশিন খুললেই বুঝতে পারা যাবে এখানে কার রাজ চলে। এখানে শান্ত রাজ চলে। দিদির রাজ চলে। বাংলা সংস্কৃতির রাজ চলে। এখানে রবীন্দ্রসঙ্গীত চলে, লেখা চলে, কবিতা চলে। আমরা এভাবেই বড় হয়েছি। আমাদের এখানে এনকাউন্টার স্পেশালিস্টের প্রয়োজন পড়ে না। যদি এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট দরকার হয়, তাহলে উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে ব্যবহার করুক।”

বাংলা বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় নতুন এন্ট্রি ‘সিঙঘ্ম’ (Singham) ভার্সেস ‘পুষ্পা’ (Pushpa) বিতর্ক। এর নেপথ্যে রয়েছে নেপথ্যে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ও ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হওয়া উত্তরপ্রদেশের ‘সিঙ্ঘম’ অজয় পাল শর্মা (Ajay pal Sharma )। তৃণমূলের প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার ভিডিয়ো এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল।

তারপরই অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এই সিঙ্ঘম নিয়ে যখন বাংলা রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক তখনই নিজের ভোট বুথে দাঁড়িয়েই ভোটের ফলাফল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করে ফেললেন পরিচালক ও ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর বউ তথা অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। সিঙ্ঘম নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করতেই টলিউডের লেডি সুপারস্টারের সপাট জবাব, মা দুর্গার পায়ের তলাতেই ঠাঁই হবে সিঙ্ঘমের!

কী বললেন শুভশ্রী?

ব্যাপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক। নিজের আবাসনেই ভোট দিয়েছেন শুভশ্রী। সঙ্গে ছিলেন স্বামী রাজ চক্রবর্তীও। ভোট দেওয়ার পর সিঙ্ঘম অজয় পাল শর্মাকে নিয়ে প্রশ্ন করতেই শুভশ্রী বলেন, ”আমি একজন নেতার স্ত্রী হয়ে নই। একজন আমজনতা হয়ে বলতে চাই, সিঙ্ঘম বা সিংহ, মা দুর্গার পায়ের তলায় থাকে। আমাদের এখানে মা দুর্গা রয়েছে, তারই রাজ চলবে।” শুভশ্রী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরাসরি নাম না করলেও, মমতাই যে তাঁর কাছে মা দুর্গার রূপ, তা কিন্তু স্পষ্ট তাঁর বক্তব্যে।

অন্য়দিকে, শুভশ্রীর পাশে দাঁড়িয়ে সিঙ্ঘম প্রসঙ্গে রাজ বলেন, ”বার বার বাংলাকে বদনাম করার চেষ্টা বিজেপি সরকারের। এর জবাব বাংলার মানুষ দেবে। সকাল থেকেই অবশ্য জবাব দেওয়া শুরু হয়েছে। ইভিএম মেশিন খুললেই বুঝতে পারা যাবে এখানে কার রাজ চলে। এখানে শান্ত রাজ চলে। দিদির রাজ চলে। বাংলা সংস্কৃতির রাজ চলে। এখানে রবীন্দ্রসঙ্গীত চলে, লেখা চলে, কবিতা চলে। আমরা এভাবেই বড় হয়েছি। আমাদের এখানে এনকাউন্টার স্পেশালিস্টের প্রয়োজন পড়ে না। যদি এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট দরকার হয়, তাহলে উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে ব্যবহার করুক।”

Follow Us