AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘হঠাত্‍ মাথা হয়ে গেলেন, যেটার অংশই ছিলেন না’, সায়নীকে খোঁচা সৌম্যর!

এবার সায়নী ঘোষকে খোঁচা দিলেন সৌম্য বক্সী। সমাজ মাধ্যমে একটা স্টোরিতে সৌম্য লিখেছেন, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতির পদে কে-কে ছিলেন, তার একটা তালিকা দিলাম। ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ অবধি সভাপতির পদে ছিলেন সুব্রত বক্সী। ২০০৪ থেকে ২০০৯ অবধি এই দায়িত্ব সামলেছেন মদন মিত্র। ২০০৯ থেকে ২০১৪ অবধি সভাপতি ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

'হঠাত্‍ মাথা হয়ে গেলেন, যেটার অংশই ছিলেন না', সায়নীকে খোঁচা সৌম্যর!
| Updated on: Jun 11, 2026 | 7:25 PM
Share

এবার সায়নী ঘোষকে খোঁচা দিলেন সৌম্য বক্সী। সমাজ মাধ্যমে একটা স্টোরিতে সৌম্য লিখেছেন, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতির পদে কে-কে ছিলেন, তার একটা তালিকা দিলাম। ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ অবধি সভাপতির পদে ছিলেন সঞ্জয় বক্সী। ২০০৪ থেকে ২০০৯ অবধি এই দায়িত্ব সামলেছেন মদন মিত্র। ২০০৯ থেকে ২০১৪ অবধি সভাপতি ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০১৪ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন সৌমিত্র খাঁ। ২০১৪ থেকে ২০২১ পর্যন্ত এই পদে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২১ থেকে সায়নী ঘোষ (হঠাত্‍ করে একটি সংগঠনের মাথা হয়ে গেলেন, যেটার কোনওদিন অংশই ছিলেন না)।

সৌম্যর এই পোস্ট যে সায়নীকে খোঁচা দিয়ে তা বুঝে নিতে অসুবিধা হয় না। ফেসবুক স্টোরিতে এই পোস্ট শেয়ার করেছেন সৌম্য। রাজনীতির সঙ্গে পারিবারিক সূত্রে এবং পরবর্তীকালে কর্মসূত্রে জড়িত ছিলেন সৌম্য। সবুজ শিবিরের এই অনুরাগীর যোগ রয়েছে টলিপাড়ার সঙ্গে। অভিনেত্রী সুদীপ্তা বক্সী তাঁর স্ত্রী। এবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে জল্পনা ছিল, ভোটের টিকিট পেতে পারেন সুদীপ্তা। সেরকম কিছু অবশ্য হয়নি।

এই মুহূর্তে সায়নী তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। সুস্মিতা দেবের সঙ্গে বিমানবন্দরে দেখা গিয়েছে সাংসদ-অভিনেত্রীকে। ১১ জুন সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে পা রাখেন তিনি। শাড়ি, হাওয়াই চটির সাজ ছেড়ে এদিন মাস্ক, টুপি, সানগ্লাসে নিজেকে ঢেকে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে চাননি সাংসদ। রাজনীতির ক্ষেত্রে সায়নীর আগামী পদক্ষেপ কী হয়, তা দেখার অপেক্ষা।

Follow Us