
রাজ্যে সরকার বদল হল। তারপরই কিছু অভিনেতা-অভিনেত্রী তৃণমূল কংগ্রেসের সমালোচনা করতে শুরু করেছেন। এদিকে এত দিন তাঁরা সবুজ শিবিরের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। কেউ-কেউ সবুজ শিবিরের প্রার্থী হলেও, আপাতত রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন। আবার কারও দাবি, ”কী ধরনের চাপ ছিল, তা এখন বললে, বিতর্ক তৈরি হবে।”
কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে রাজনৈতিক মঞ্চে উপস্থিত হওয়ার জন্য, তারকাদের কি জোর করা হতো? কোনওরকম ‘চাপ’ দেওয়া হতো? এবার তৃণা বললেন, ”আমরা অনেকে গিয়েছি। এতে কোনও লজ্জা নেই। আফসোস নেই। আমরা একটা জায়গায় গিয়েছিলাম, নিজের ইচ্ছায় গিয়েছি। কেউ মাথায় বন্দুক ধরে নিয়ে যাননি। বা বলেননি, ‘তুমি গেলে এত টাকা পাবে’! কেউ ভয়ে গিয়ে থাকলে, তখনই বলা উচিত ছিল। সবাই প্রাপ্তবয়স্ক। আমরা যেটা করি, সেটা কেউ জোর করেন বলে করি না। আমরা বাচ্চা নই। আবারও যদি মুখ্যমন্ত্রী কোথাও যেতে বলেন, হয়তো দেখবেন একই মুখগুলোকে দেখা যাবে।”
তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হলেও, আগামী দিনে কাজে কোনও সমস্যা হবে না, সেই ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তৃণা। তিনি বললেন, ”যে নিজে ভালো, তার সঙ্গে ভালো হয়। নিজে ঠিক থাকলে, যেই ক্ষমতায় থাকুক, সেটা কোনও প্রভাব ফেলবে না। আমরা সবাই নিজেরা চারপাশের ভালো করার চেষ্টা করব। শুধু সরকারের উপর নির্ভর না করে, নিজেদের ভালো করার চেষ্টা করা দরকার।” এই মুহূর্তে সফল একটা ধারাবাহিকে নায়িকার চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তৃণাকে।