AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Rudranil Ghosh: বিজেপি জিততেই রুদ্রনীলের বাড়িতে গেলেন কোন কোন সেলেব?

Tollywood Celeb at Rudranil Ghosh's Home: মঙ্গলবারই টিভি নাইন বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিজেপির বিজয়ী প্রার্থী তথা টলিউড অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ জানিয়ে ছিলেন, ভোটে জেতার পর, টলিউডের বহু মানুষই তাঁকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়ে ছিলেন। এমনকী, স্পষ্ট করেছিলেন, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ভিতরে এতদিন ধরে চলা রাজনীতি, ব্য়ান কালচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য, টলিউডের মানুষজনদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন তিনি।

Rudranil Ghosh: বিজেপি জিততেই রুদ্রনীলের বাড়িতে গেলেন কোন কোন সেলেব?
| Updated on: May 06, 2026 | 8:54 PM
Share

একসময় রুদ্রনীল ঘোষ ছিলেন টলিউডে ‘অচ্ছ্যুত অভিনেতা ‘। টলিউডের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, গেরুয়া শিবিরের মুখ হওয়ায়, তাঁকে নাকি সিনেমায় সুযোগ দেওয়া যাবে না। টলিপাড়ায় কান পাতলে শোনা যেত, টালিগঞ্জে ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর নাকি কোপে পড়েছিলেন টলিউডের রুডি। তবে সেসব এখন ইতিহাস। বিজেপির বাংলায় এখন ট্রেন্ড বলছে, রুদ্র নাকি এখন টলিউডের নয়নের মণি! অন্তত, রুদ্রনীল জেতার পর টলিউডের লোকজনের শুভেচ্ছার বন্য়া ভাসছেন তিনি। তবে শুধুই ফোন নয়, তাঁর বাড়িতেও চলছে আসা যাওয়া।

মঙ্গলবারই টিভি নাইন বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিজেপির বিজয়ী প্রার্থী তথা টলিউড অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ জানিয়ে ছিলেন, ভোটে জেতার পর, টলিউডের বহু মানুষই তাঁকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়ে ছিলেন। এমনকী, স্পষ্ট করেছিলেন, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ভিতরে এতদিন ধরে চলা রাজনীতি, ব্য়ান কালচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য, টলিউডের মানুষজনদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন তিনি। আর এবার বুধবার সন্ধ্যা হতেই রুদ্রনীলের বাড়িতে হাজির টলিপাড়ার সেলেবরা। কারা এলেন রুদ্রর সঙ্গে দেখা করতে?

বুধবার সন্ধ্যা নাগাদ রুদ্রনীলের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় ও সঙ্গীত পরিচালক ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত। রুদ্রকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি খোশ আড্ডায় মেতে উঠলেন তিনজনে।

তা কী বললেন তাঁরা?

কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় জানান, ”আমাদের কাছাকাছি কোনও ঘনিষ্ঠ মানুষরা এভাবে কখনও জেতেনি। বহু বছর ধরে একসঙ্গে কাজ করা। অনেকেই জানেন না। কতটা কষ্ট করেছে রুদ্র। কতটা বাধা বিপত্তির মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, সেটা কেউ জানে না। কাউকে টের পেতে দেয়নি। ও মাথা উঁচু করে ছিল। তাই ঈশ্বর ওকে আশীর্বাদ করেছে। ”

রুদ্রর হাত ধরে কি টলিউডের রাজনীতি ও ব্যান সংস্কৃতির অবসান হবে? কৌশিক বললেন, ”এটাই বলব, শিল্পীমহল থেকে যাঁরা বিজয়ী। তাঁরা যে সময় থেকে কাজ করা শুরু করেছিল, তখন সবাই কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলে বিশ্বাস করত। কিন্তু ফ্লোরে মধ্যে কখনও সেই রাজনীতি ঢোকেনি। আমাদের একটাই প্রার্থনা, শিল্পী শিল্পীর মতো কাজ করবে, স্টুডিও চত্বরে শিল্পীদের সঙ্গে রাজনীতি জড়াবেন না। ”

দেখুন সেই সাক্ষাৎকার–

বেশ কয়েকবছর ধরে রীতিমতো টলিপাড়ায় ‘নিষিদ্ধ’ ছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। অভিযোগ রয়েছে, রাজ্য সরকারের বিরোধিতা করায় তাঁকে কোনও প্রযোজক বা পরিচালক সিনেমায় নিতে চাইতেন না। সত্যিই কি তাই? এই প্রশ্নের উত্তরে ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত জানান, ”হ্য়াঁ, এটা শোনা গেলেও আমার গৃহপ্রবেশ ছবি তো করেছে। রুদ্রর সিনেমা তো নন্দনেও চলেছে। শুধু নিতে চাইছে না এটা বললে হবে না, যাঁরা ছবি বানাচ্ছেন, তাঁদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। তবে আমার একটাই কথা, রুদ্র বিধায়ক বলে নয়, দুরন্ত অভিনেতা বলেই যেন ওকে ছবিতে নেওয়া হয়। ”

টলিউডের ব্যান কালচার নিয়ে বলতে গিয়ে রুদ্র বলেন, ”আমার মনে হয় এই বিষয়টা কিছু মানুষ তৈরি করেছে। যেখানে সবাই কষ্ট পাচ্ছিল। অনেককেই দেখেছি, তাঁদের পাশে হাসিমুখে সবাই দাঁড়িয়ে ছিল। কিন্তু বিশ্বাস করুন, সবার তো লড়াই করার সময় বা সুযোগ হয় না। অনেকের জীবনের নেপথ্য়ের গল্প জানি না। অনেকে হয়তো সমর্থকের চরিত্রে এতদিন অভিনয় করছিলেন। কৌশিকদা, ইন্দ্রদীপ রয়েছে, এছাড়াও অনেকেই রয়েছেন। আমরা সবাই খেতে না পাওয়ার সময়টা দেখেছি। তখন এসব ছিল না। মতানৈক্য থাকবে, বিরোধিতা থাকবে। সবাই আসুন ইন্ডাস্ট্রিকে ভালোবাসি। এই বাংলায় কাজের পরিবেশ তৈরি করি।”

 

Follow Us