বিয়ের পর কিছুতেই ‘আঢ্য’ থেকে ‘হাজরা’ হননি অপরাজিতা, শ্বশুরবাড়ি মেনেছিল?
Aparajita Adhya: মেয়েদের বিয়ের পর একটা জিনিস ছাড়তেই হয়। তা হল তাঁর পদবী। কিন্তু অপরাজিতা তা করেননি। তিনি কিছুতেই আঢ্য থেকে হাজরা হননি। চাঁচাছোলা ভাষায় জানিয়েছেন, কেন তিনি সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অপরাজিতার এই সিদ্ধান্তে কতখানি পাশে পেয়েছিলেন শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের।

২৬ বছর হল জমিয়ে সংসার করছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য। অল্প বয়স ছিল তখন। সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন স্বামী অতনু হাজরা। প্রথমেই না বলে দিয়েছিলেন অপরাজিতা। তারপর এক বান্ধবীর জোড়াজোড়িতে অতনুদের বাড়িতে গিয়েছিলেন অপরাজিতা এবং সেখানে গিয়ে তাঁর শাশুড়িমাকে দেখে মনে হয়েছিল সেই বাড়িতেই বিয়ে করবেন তিনি। হলেও তাই। হাওড়ার মেয়ে অপরাজিতা বিয়ের পর চলে এলেন বেহালায়। জমিয়ে শুরু করলেন সংসার। কিন্তু এই ২৬ বছরেও একটা জিনিস কিছুতেই বাদ দিতে পারেননি অপরাজিতা। তা কী জানেন?
সে জিনিসটা হল অপরাজিতার পদবী। বিয়ের আগে ‘আঢ্য’ পদবী ছিল অপরাজিতার। পিতার পরিচয়। বিয়ের পর স্বামীর পদবী ‘হাজরা’ গ্রহণ করেননি অভিনেত্রী। এই বিষয়টি নিয়ে TV9 বাংলার সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলেছেন অভিনেত্রী।
অপরাজিতা বলেছেন, “আমি আমার পদবী পাল্টাইনি বিয়ের পর। কেন পাল্টাতে যাব? বলুন তো… এই পদবীটা আমার একান্ত নিজস্ব। এই পদবীটার সঙ্গে আমি বড় হয়েছি। জন্মের পর থেকে অপরাজিতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আঢ্য় পদবীটা। বিয়ের পর হঠাৎ করে হাজরা হয়ে যাব। তাও আবার হয় নাকি!”
টলিউডে একটি ছবি তৈরি হয়েছিল কিছুদিন আগে। ইন্দ্রানী হালদার, মধুমিতা সরকার, বিক্রম চট্টোপাধ্যায়, নীল মুখোপাধ্যায়রা ছিলেন সেই ছবিতে। ছবির নাম ছিল ‘কুলের আচার’। বাড়ির ছোট বউ বিয়ের পর বাড়িতে এসে কিছুতেই তাঁর বাপের বাড়ির পদবী পাল্টাতে চাইছে না। তারপর দেখা গেল বউমার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে শাশুড়িও ফিরে পেতে চাইছেন তাঁর পুরনো পদবী। অপরাজিতার জন্য মিলে যাচ্ছে না পুরো বিষয়টা!
