Nana Patekar Cremation: মাঝরাতে কেন নানার শেষকৃত্য? প্রশ্ন উঠতেই ব্যাখ্যা দিলেন ছেলে

Nana Patekar Death: বৃহস্পতিবার পুনের ফার্মহাউসে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নানা পাটেকরের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। কিন্তু কেন এত রাতে অভিনেতার শেষকৃত্য করা হল? মল্লার পাটেকর জানালেন আসল কারণ। একইসঙ্গে বাবার অপূর্ণ স্বপ্ন নিয়েও মুখ খুললেন তিনি।

Nana Patekar Cremation: মাঝরাতে কেন নানার শেষকৃত্য? প্রশ্ন উঠতেই ব্যাখ্যা দিলেন ছেলে
কী বলেছেন মল্লার?

Oct 09, 2026 | 11:30 AM

গোটা দেশ এখন শোকস্তব্ধ। ৭৫ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর। বৃহস্পতিবার পুনের দোনজে গ্রামের ফার্মহাউসে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। গান স্যালুটের মাধ্যমে জানানো হয় অন্তিম শ্রদ্ধা। রাতে কেন তাঁর শেষকৃত্য করা হল এই নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জেগেছিল। এবার সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন প্রয়াত অভিনেতার ছেলে মল্লার পাটেকর। বাবার বলা প্রতিটি কথা এবং তাঁর অপূর্ণ স্বপ্নের কথাও সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন তিনি।

মল্লার গোটা বিষয়টি পরিষ্কার করে জানান, দীর্ঘ যাত্রাপথের কারণেই মূলত এই দেরি হয়েছে। তাঁর কথায়, “আমরা গোয়ায় ছিলাম। সেখান থেকে বাবার দেহ গ্রামের ফার্মহাউসে নিয়ে আসার কথা ছিল। ভেবেছিলাম অনেক তাড়াতাড়ি পৌঁছে যাব। কিন্তু রাস্তায় অনেকটা সময় লেগে যায়।” তিনি আরও বলেন, “বাবা খুব ভোরে মারা যান। ফলে ইতিমধ্যেই অনেকটা সময় পেরিয়ে গিয়েছিল। আর বেশি সময় মৃত দেহ রেখে দেওয়া একেবারেই ঠিক হত না। সেই কারণেই সূর্যাস্তের পর শেষকৃত্য করতে হয়।”

বাবার সমাজসেবামূলক কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন মল্লার। তিনি স্পষ্ট জানান, নানা পাটেকরের মতো মানুষের মৃত্যু নেই, তাঁরা নিজেদের কাজের মধ্যে দিয়েই অমর হয়ে থাকেন। বাবার আদর্শ নিয়ে বলতে গিয়ে মল্লার বলেন, “বাবা সবসময় বলতেন মানবতার জন্য একজোট হতে হবে এবং বিশ্বের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে হবে। তিনি বিশ্বস্তরে চিন্তাভাবনা করতেন।” একইসঙ্গে তিনি জানান, মহারাষ্ট্র থেকে শুরু করে গোটা দেশ, এমনকী জম্মু ও কাশ্মীর পর্যন্ত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এই সমাজসেবামূলক কাজ চলছে।

মল্লার জানান, বাবা যোগ্য মানুষদের হাতে আগেই দায়িত্ব তুলে দিয়ে গিয়েছিলেন। যাঁরা সুবিচার করতে পারবেন, এমন মানুষদের হাতে তিনি অনেক কাজই সঁপে দেন। বাবার অপূর্ণ স্বপ্নের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ মল্লার বলেন, “তিনি সবকিছু একেবারে শূন্য থেকে শুরু করতে চেয়েছিলেন। জীবনের বাকি সময়টা তিনি এমন একটা জায়গায় কাটাতে চেয়েছিলেন, যেখানে সমাজসেবার কাজে তাঁকে প্রয়োজন। আমি নিশ্চিত করব যাতে তাঁর যেটুকু কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে, তা সম্পূর্ণ হয়। তাঁর স্বপ্ন এবং আমার স্বপ্ন মিলেমিশে মানুষের জন্য কাজ করা। আমি এটা নিশ্চিত করব যে এই কাজ সম্পন্ন হয়।”

গোয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান এই কিংবদন্তি অভিনেতা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। তবে শেষরক্ষা হয়নি। তাঁর প্রয়াণে বলিউডে শোকের ছায়া। দোনজে গ্রামে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজির ছিলেন জ্যাকি শ্রফ, অনিল শর্মা, আনিস বাজমির মতো ব্যক্তিত্বরা। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেও অভিনেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সোশাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করেছেন সলমন খান, অজয় দেবগন এবং কমল হাসানের মতো তারকারা। সলমন লিখেছেন, “নানা… শান্তিতে ঘুমান।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us