AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

FEATURED

Jio Platforms IPO: জিওকে ডিজিটাল বৃদ্ধির পাওয়ারহাউস হিসেবে দেখছে ব্রোকারেজ সংস্থাগুলি, আইপিও-তে অ্যাঙ্কর বিনিয়োগকারীদের বিপুল সাড়া

Jio IPO Anchor Investor Response: প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য জিওর আইপিও খুলতেই বিপুল চাহিদা দেখা গেল। ৮,১১০ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে চাহিদা ২.৫ লক্ষ কোটি টাকার গণ্ডিও ছাড়িয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, সংস্থার শক্তিশালী বৃদ্ধির সম্ভাবনা, ৫জি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ক্ষেত্রে সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে জিওর আইপিও-তে সাবস্ক্রাইব করার পরামর্শ দিয়েছে একাধিক ব্রোকারেজ সংস্থা।

Jio Platforms IPO: জিওকে ডিজিটাল বৃদ্ধির পাওয়ারহাউস হিসেবে দেখছে ব্রোকারেজ সংস্থাগুলি, আইপিও-তে অ্যাঙ্কর বিনিয়োগকারীদের বিপুল সাড়া
জিওকে ডিজিটাল বৃদ্ধির পাওয়ারহাউস হিসেবে দেখছে ব্রোকারেজ সংস্থাগুলিImage Credit: Money9live
| Updated on: Oct 19, 2026 | 8:32 PM
Share

জিও প্ল্যাটফর্মসের আইপিও (Initial Public Offering) ঘিরে বিনিয়োগের সম্ভাবনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। সংস্থার বৃদ্ধির সম্ভাবনা, শক্তিশালী পরিচালনগত পারফরম্যান্স এবং প্রযুক্তিক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান উচ্চাকাঙ্ক্ষার উপর আস্থা প্রকাশ করেছে একাধিক ব্রোকারেজ সংস্থা। তাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, জিও এখন আর শুধু একটি টেলিকম সংস্থা নয়। বরং ভারতের দ্রুত বিকাশমান ডিজিটাল অর্থনীতির কেন্দ্রে নিজের জায়গা তৈরি করছে সংস্থাটি।

অ্যাঙ্কর বুক-এ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বিপুল চাহিদা-

জিওর আইপিও-র অ্যাঙ্কর বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত অংশে বিপুল চাহিদা দেখা গিয়েছে। ৮,১১০ কোটি টাকার অ্যাঙ্কর বুকের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের চাহিদা বরাদ্দের তুলনায় ৩০ গুণেরও বেশি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ৮,১১০ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মোট চাহিদা ২.৫ লক্ষ কোটি টাকাও ছাড়িয়ে গিয়েছে।

শক্তিশালী লিস্টিংয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে গ্রে মার্কেট প্রিমিয়াম-

আইপিও খোলার আগেই জিওকে ঘিরে গ্রে মার্কেট প্রিমিয়াম বা জিএমপি-তে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গিয়েছে। ইন্ডিয়া ইনফোলাইন (IIFL)-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯ অক্টোবর প্রতি শেয়ারে জিএমপি ছিল ২৫২ টাকা। জিওর আইপিও-র ইস্যু প্রাইস ১,০৬৫ থেকে ১,১১৯ টাকা। সেই হিসাবে সর্বোচ্চ মূল্যসীমা ১,১১৯ টাকার তুলনায় প্রায় ২২.৫২ শতাংশ প্রিমিয়ামের ইঙ্গিত দিচ্ছিল গ্রে মার্কেট।

এই প্রবণতা বজায় থাকলে জিও প্ল্যাটফর্মসের শেয়ার প্রায় ১,৩৭১ টাকায় তালিকাভুক্ত হতে পারে। আইপিও-র এক লটে ১২টি শেয়ার রয়েছে। প্রতি শেয়ারে ২৫২ টাকা সম্ভাব্য লিস্টিং গেন ধরলে এক লটে লাভের অঙ্ক হতে পারে ৩,০২৪ টাকা।

অন্যদিকে, দ্য ইকনমিক টাইমস-এর প্রতিবেদনে প্রতি শেয়ারে ২৫১ টাকা বা ২২.৪ শতাংশ জিএমপির কথা বলা হয়েছে। সেই হিসাবে শেয়ারের সম্ভাব্য দাম হতে পারে প্রায় ১,৩৭০ টাকা। বিভিন্ন সময়ে অনানুষ্ঠানিক বাজারের দর যাচাই করার কারণে এই সামান্য পার্থক্য হতে পারে।

তবে মনে রাখতে হবে, গ্রে মার্কেট প্রিমিয়াম একটি অনানুষ্ঠানিক সূচক। এটি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। প্রকৃত লিস্টিং মূল্য বা লাভের কোনও নিশ্চয়তা দেয় না।

জিও প্ল্যাটফর্মসের আইপিও-র তারিখ-

৩০,২১৩ কোটি টাকার এই আইপিও-তে ২৭ কোটি নতুন শেয়ার ইস্যু করার কথা রয়েছে। শেয়ারপ্রতি মূল্যসীমা ১,০৬৫ থেকে ১,১১৯ টাকা। ইস্যুটি ২১ অক্টোবর খোলার এবং ২৩ অক্টোবর বন্ধ হওয়ার কথা। শেয়ার তালিকাভুক্তির সম্ভাব্য তারিখ ২৮ অক্টোবর।

সংস্থার পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাপ্ত অর্থের মধ্যে ২৭,৫০০ কোটি টাকা সহযোগী সংস্থা রিলায়েন্স জিও ইনফোকম লিমিটেডের (RJIL) ঋণ আগাম পরিশোধের কাজে ব্যবহার করা হবে।

ব্রোকারেজ সংস্থাগুলির ইতিবাচক মূল্যায়ন থেকে বোঝা যাচ্ছে, জিওর বিশাল গ্রাহকভিত্তিকে আরও বেশি আয়ে রূপান্তরিত করার ক্ষমতার উপর তারা আস্থা রাখছে। পাশাপাশি, ৫জি, হোম ব্রডব্যান্ড, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এন্টারপ্রাইজ প্রযুক্তি পরিষেবার মাধ্যমে নতুন আয়ের উৎস তৈরির সম্ভাবনাও দেখছে তারা।

বাড়ছে সংস্থার আয়-

জিওর বাজারে শক্তিশালী অবস্থানই এই আশাবাদের অন্যতম ভিত্তি। ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সংস্থার গ্রাহকসংখ্যা ছিল ৫৩৩.৩ মিলিয়ন বা ৫৩.৩৩ কোটি। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারতের মোট ওয়্যারলেস ডেটা ট্র্যাফিকের প্রায় ৬০ শতাংশ জিওর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে সংস্থার পরিচালনগত আয় বার্ষিক ১৪.৬ শতাংশ বেড়ে ১,৪৬,৮৮৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। কর-পরবর্তী মুনাফার পরিমাণ ছিল প্রায় ৩০,০৪৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে, EBITDA মার্জিন বেড়ে প্রায় ৫১.৯ শতাংশ হয়েছে। যা পরিচালনগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নেটওয়ার্কে বিনিয়োগের আরও কার্যকর ব্যবহারের ইঙ্গিত দেয়।

ব্রোকারেজ সংস্থাগুলির পরামর্শ কী?

বিভিন্ন ব্রোকারেজ সংস্থার মূল্যায়নে জিওর আর্থিক পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এমকে গ্লোবাল ফিনানশিয়াল সার্ভিসেস (Emkay Global Financial Services) জানিয়েছে, সংস্থার বৃদ্ধির সম্ভাবনার নিরিখে আইপিও-র মূল্যায়ন যুক্তিসঙ্গত। তাদের মতে, ২০২৩-২৪ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের মধ্যে জিওর EBITDA-র চক্রবৃদ্ধি বার্ষিক বৃদ্ধির হার (CAGR) ছিল ১৬.২ শতাংশ। একই সময়ে কর-পরবর্তী মুনাফার CAGR ছিল ১৮.৪ শতাংশ। ক্রমবর্ধমান নেটওয়ার্কের সঙ্গে আয় বাড়ানোর ক্ষমতার প্রমাণ হিসেবেই এই পরিসংখ্যানকে দেখছে সংস্থাটি।

GEPL Capital-ও আইপিও-তে বিনিয়োগের জন্য সাবস্ক্রাইব করার পরামর্শ দিয়েছে। তাদের যুক্তি, জিওর বাজারে নেতৃত্ব এবং বৃদ্ধির সম্ভাবনার বিচারে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের আয়ের প্রায় ৩৩.৩ গুণ মূল্যায়ন গ্রহণযোগ্য। গ্রাহকসংখ্যা বাড়ানো, প্রতি গ্রাহকপিছু গড় আয় বা ARPU বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল পরিষেবার প্রসার—এই তিনটি কৌশল ভবিষ্যতে সংস্থার বৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।

ফিলিপক্যাপিটাল (PhillipCapital)-এর মতে, ২০১৬ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যনীতি এবং অভিনব পরিষেবার মাধ্যমে ভারতের টেলিকম ক্ষেত্রের চেহারা বদলে দিয়েছে জিও। ট্যারিফ বৃদ্ধি, স্বাভাবিক উপায়ে ARPU-র উন্নতি এবং ডিজিটাল পরিষেবা থেকে নতুন আয়ের উৎস তৈরি—এই তিনটি ক্ষেত্রকে সংস্থার ভবিষ্যৎ মুনাফা বৃদ্ধির সম্ভাব্য চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছে তারা। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে মুনাফা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছে ব্রোকারেজ সংস্থাটি।

এসবিআই ক্যাপস (SBICAPS)-এর মতে, জিওর ব্যবসার পরিসর, আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদে আয়ের নতুন উৎস তৈরির ক্ষমতার প্রতিফলন ঘটেছে আইপিও-র মূল্য নির্ধারণে। সংস্থার সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ঋণ আগাম পরিশোধ করা হলে ঋণের বোঝা ও সুদের খরচ কমতে পারে। এর ফলে নগদ প্রবাহ শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিনিয়োগের জন্য আর্থিক নমনীয়তা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

শুধু সংযোগ নয়, প্রযুক্তির পাওয়ারহাউস হয়ে ওঠার লক্ষ্য-

জিওর বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করছে মূল টেলিকম ব্যবসার বাইরেও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা থেকে আয় করার সুযোগ। সংস্থার নিজস্ব ৫জি প্রযুক্তি, ক্লাউড-নেটিভ পরিকাঠামো এবং জিওব্রেন এআই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার জন্য প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য টেলিকম অপারেটরদের কাছেও নিজেদের প্রযুক্তিগত পরিষেবা পৌঁছে দিতে পারে জিও।

সংস্থার পরিকাঠামোও যথেষ্ট বিস্তৃত। জিওর রয়েছে ১০ লক্ষেরও বেশি রুট কিলোমিটার ফাইবার এবং ৩,৬০,৫৩৭টি নেটওয়ার্ক টাওয়ারে ব্যবহারের সুযোগ। দেশের ৯৯ শতাংশেরও বেশি জনসংখ্যার কাছে ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকাঠামোও রয়েছে তাদের।

জিওর অ্যাপ্লিকেশন, ক্লাউড পরিষেবা এবং এন্টারপ্রাইজ-ভিত্তিক পরিষেবার ক্রমবর্ধমান পরিসর এই পরিকাঠামো থেকে আরও বেশি মূল্য তৈরি করার সুযোগ করে দিচ্ছে।

ভেঞ্চুরা সিকিউরিটিজ (Ventura Securities) জিওকে ভারতের বৃহত্তম ডিজিটাল পরিষেবা ও সংযোগের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাদের এই মূল্যায়নে স্পষ্ট, শুধুমাত্র টেলিকম সংযোগ বিক্রি করার ব্যবসা থেকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থায় রূপান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে জিওর।

হোম ব্রডব্যান্ডের সম্প্রসারণও এই সম্ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করছে। ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত জিওর ফিক্সড ব্রডব্যান্ড গ্রাহকসংখ্যা ছিল ২৮.৬ মিলিয়ন বা ২.৮৬ কোটি। এর মধ্যে ১.৪ কোটি গ্রাহক ছিলেন জিও এয়ারফাইবারের।

উচ্চগতির ইন্টারনেটের চাহিদা বৃদ্ধি, অবশিষ্ট ২জি গ্রাহকদের ৪জি ও ৫জি-তে স্থানান্তর এবং বিভিন্ন সংস্থায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি—এই বিষয়গুলি জিওর ভবিষ্যৎ বৃদ্ধির একাধিক সম্ভাব্য পথ তৈরি করছে।

নগদ অর্থ তৈরির ক্ষমতা বাড়ায় শক্তিশালী হচ্ছে ভবিষ্যৎ-

জিওর নগদ অর্থ তৈরির ক্ষমতার উন্নতিও বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়ছে। এমকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে সংস্থার পরিচালনগত নগদ প্রবাহ বেড়ে প্রায় ৭৭,৫৫৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

অন্যদিকে, মোট আয়ের তুলনায় মূলধনী ব্যয়ের অনুপাত ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের ৪৮.৮ শতাংশ থেকে কমে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ২৩.৩ শতাংশ হয়েছে। এই উন্নতি সংস্থাকে ব্যালান্স শিট শক্তিশালী করার পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক সুযোগে বিনিয়োগের জন্য আরও বেশি আর্থিক স্বাধীনতা দিতে পারে।

সেন্ট্রাম ব্রোকিং (Centrum Broking)-এর অনুমান, জিও প্ল্যাটফর্মসের ইক্যুইটি মূল্য প্রায় ১১.৫ লক্ষ কোটি টাকা। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ থেকে ২০২৮-২৯ অর্থবর্ষের মধ্যে সংস্থার আয়, EBITDA এবং কর-পরবর্তী মুনাফার চক্রবৃদ্ধি বার্ষিক বৃদ্ধির হার যথাক্রমে প্রায় ১৪, ১৬ এবং ১৬ শতাংশ হতে পারে।

ট্যারিফ বৃদ্ধি, প্রিমিয়াম পরিষেবার প্রসার এবং ডিজিটাল পরিষেবার ব্যবহার বাড়ার ফলে ARPU-র বৃদ্ধির সম্ভাবনাও চিহ্নিত করেছে ব্রোকারেজ সংস্থাটি।

আইপিও পরিচালনার দায়িত্বে ১৯টি লিড ম্যানেজার-

জিও প্ল্যাটফর্মসের আইপিও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ১৯টি বুক রানিং লিড ম্যানেজার (BRLM)। এই তালিকায় রয়েছে:

কোটাক মহিন্দ্রা ক্যাপিটাল কোম্পানি, মরগ্যান স্ট্যানলি ইন্ডিয়া কোম্পানি, BofA সিকিউরিটিজ ইন্ডিয়া, অ্যাক্সিস ক্যাপিটাল, BNP পারিবাস, সিটিগ্রুপ গ্লোবাল মার্কেটস ইন্ডিয়া, CLSA ইন্ডিয়া, DAM ক্যাপিটাল অ্যাডভাইজার্স, গোল্ডম্যান স্যাকস (ইন্ডিয়া) সিকিউরিটিজ, HDFC ব্যাঙ্ক, HSBC সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ক্যাপিটাল মার্কেটস (ইন্ডিয়া), ICICI সিকিউরিটিজ, IIFL ক্যাপিটাল সার্ভিসেস, জেফরিজ ইন্ডিয়া, JM ফিনানশিয়াল, JP মরগ্যান ইন্ডিয়া, SBI ক্যাপিটাল মার্কেটস, UBS সিকিউরিটিজ ইন্ডিয়া এবং 360 ONE WAM।

এই সংস্থাগুলি আইপিও-র লিড ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে। তাই যে আইপিও পরিচালনার দায়িত্ব তাদের উপর রয়েছে, সেই একই আইপিওতে বিনিয়োগের সুপারিশ করে স্বাধীন গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে তাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই প্রতিবেদনে যে ব্রোকারেজ সংস্থাগুলির মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলি অন্য গবেষণা সংস্থা ও বিশ্লেষকদের প্রকাশ্যে জানানো মতামতের ভিত্তিতে উপস্থাপিত।

সামগ্রিকভাবে, জিওর বৃদ্ধির পরবর্তী পর্যায় শুধু নতুন গ্রাহক যুক্ত করার উপর নির্ভর করবে না। বরং নিজস্ব নেটওয়ার্ক, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং ডিজিটাল পরিষেবার পরিসর থেকে আরও বেশি আয় তৈরি করাই হবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাজারে নেতৃত্ব, আর্থিক দক্ষতার উন্নতি, নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ এবং একাধিক ব্রোকারেজ সংস্থার ইতিবাচক মূল্যায়ন—সব মিলিয়ে ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতির ভবিষ্যৎ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে জিও প্ল্যাটফর্মস।

আইপিও ঘিরে শক্তিশালী গ্রে মার্কেট প্রিমিয়াম বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে প্রকৃত লিস্টিং মূল্য এবং বিনিয়োগের ফলাফল নির্ভর করবে বাজারের পরিস্থিতি ও শেয়ারের চাহিদার উপর। ১৯টি লিড ম্যানেজারের অংশগ্রহণ এবং আইপিও-র বিপুল অঙ্কও ভারতের পুঁজিবাজারে এই ইস্যুর গুরুত্ব তুলে ধরছে।

বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্কতা: গ্রে মার্কেট প্রিমিয়াম বা ব্রোকারেজ সংস্থার ইতিবাচক মূল্যায়ন ভবিষ্যৎ লাভের নিশ্চয়তা নয়। বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আইপিও-র অফার ডকুমেন্ট, আর্থিক ঝুঁকি এবং নিজস্ব বিনিয়োগের লক্ষ্য খতিয়ে দেখা জরুরি।

Disclaimer: বিশেষ দ্রষ্টব্য: এটি একটি স্পনসরড প্রতিবেদন। যাতে প্রদত্ত তথ্য ও দাবির দায় সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপন সংস্থার। এই উল্লেখিত তথ্যের সঙ্গে টিভি৯ বাংলার কোনও সম্পর্ক নেই। তাই এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত তথ্য ব্য়বহারের আগে অবশ্যই যাচাই করে নিন।
Follow Us