AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

FEATURED

Reliance: স্ট্যানফোর্ডের কোর্স মাঝপথে ছেড়ে এসে বাবার স্বপ্ন সত্যি করেছিলেন মুকেশ অম্বানী, তারপর আর ফিরে তাকাননি

Mukesh Ambani: ১০০ কোটি মানুষকে সংযুক্ত করা এবং তাদের ব্যবসার পরিধি আরও প্রসারিত করার জন্য কেবল অর্থই যথেষ্ট ছিল না, এর জন্য প্রয়োজন ছিল বছরের পর বছর ধৈর্য ধরে থাকা। অন্যরা যখন এই বিষয়টিকে অসম্ভব বলে অভিহিত করেছিল, তখন এগিয়ে যাওয়ার অটল বিশ্বাস ছিল মুকেশ অম্বানীর। এই ক্ষমতা না থাকলে ভারতের ডিজিটাল বিপ্লব হয়ত আজও প্রাথমিক পর্যায়েই থেকে যেত।

Reliance: স্ট্যানফোর্ডের কোর্স মাঝপথে ছেড়ে এসে বাবার স্বপ্ন সত্যি করেছিলেন মুকেশ অম্বানী, তারপর আর ফিরে তাকাননি
মুকেশ অম্বানী (ফাইল ছবি)Image Credit: PTI
| Updated on: Oct 14, 2026 | 5:13 PM
Share

আজ বিশ্বের দরবারে আলোচিত নাম রিলায়েন্স। প্রথম সারির শিল্পপতিদের তালিকায় মুকেশ অম্বানীর নাম। তবে একদিনে এই উচ্চতায় পৌঁছয়নি রিলায়েন্স। একের পর এক মাইলস্টোন পার করেছেন অম্বানী। শুধুমাত্র একটি ক্ষেত্রে নয়, বিবিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন অম্বানীরা। সব ক্ষেত্রেই তারা এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে।

মুকেশ অম্বানী বাবার স্বপ্ন সত্যি করেছিলেন ৩৬ মাসে

একটি তৈল শোধনাগার তৈরির স্বপ্ন ছিল ধীরুভাই অম্বানীর। সেই স্বপ্ন সত্যি করতে মুকেশ অম্বানীর নেতৃত্বে জামনগরে তৈরি হয় রিলায়েন্সের তৈল শোধনাগার কমপ্লেক্স। মাত্র ৩৬ মাসে তৈরি করা হয় সেটি। স্ট্যানফোর্ডে কোর্সের মাঝপথ থেকে ফিরে আসার পর ওই প্রজেক্ট তৈরি করেছিলেন অম্বানী।

লক্ষ লক্ষ ভারতবাসীর স্বপ্ন রূপ পায় অম্বানীর হাত ধরে

দেশের সবচেয়ে বড় তৈল শোধনাগার তৈরি করার পর, রিলায়েন্সের স্বপ্ন ছিল প্রত্যেক ভারতীয়ের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও সহজলভ্য করে তোলা। ২০১৬ সালে টেলিকমিউনিকেশনের বাজারে জিও (Jio) প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে ‘ভয়েস কল’-এর মূল্য হয়ে যায় একেবারে শূন্য। আর ডেটার দাম আর ‘বড়া পাভ’-এর দাম প্রায় এক হয়ে যায়। মাত্র ১৭০ দিনে ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ভারতীয় জিও-র সঙ্গে যুক্ত হন। অর্থাৎ প্রতি এক সেকেন্ডে সাতজন মানুষ যাতে যুক্ত হচ্ছিলেন জিও নেটওয়ার্কে। কয়েক মাসের মধ্যে মোবাইল ব্রডব্যান্ডে বিশ্বের ১৫৫ তম স্থানে থাকা ভারত প্রথম সারির কয়েকটি দেশের মধ্যে চলে আসে।

জিও শুধু বড় শহরের মধ্যেই থেমে থাকেনি। এটি পৌঁছে গিয়েছে বনাঞ্চলে, পাহাড়ের চূড়ায় এবং গ্রামগুলোতে। আজ অনেক প্রত্য়ন্ত গ্রামে জিও-ই একমাত্র মাধ্যম, যা আপনাকে আপনার প্রিয়জনদের সঙ্গে যুক্ত রাখে। ২০২০ সালে মহামারীর সময় যখন সব দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তখন ক্লাসরুম, অফিস এবং ডাক্তাররাও এই নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। এমনকী অনেক পরিবারে ঠাকুরদা-ঠাকুমারা ভিডিয়ো কলে তাঁদের নাতি-নাতনিদের মুখ দেখছিলেন ওই সময়ে।

ভারতের জন্য নির্মাণ, বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা

একটি সংস্থার শিল্প ভিত্তি থেকে শুরু করে ডিজিটাল এবং প্রযুক্তিগত বিবর্তন পর্যন্ত বিস্তৃত। এই উদ্যোগগুলি দেশের অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে। ১০০ কোটি মানুষকে সংযুক্ত করা এবং তাদের ব্যবসার পরিধি আরও প্রসারিত করার জন্য কেবল অর্থই যথেষ্ট ছিল না, এর জন্য প্রয়োজন ছিল বছরের পর বছর ধৈর্য ধরে থাকা। অন্যরা যখন এই বিষয়টিকে অসম্ভব বলে অভিহিত করেছিল, তখন এগিয়ে যাওয়ার অটল বিশ্বাস ছিল মুকেশ অম্বানীর। এই ক্ষমতা না থাকলে ভারতের ডিজিটাল বিপ্লব হয়ত আজও প্রাথমিক পর্যায়েই থেকে যেত।

Disclaimer: বিশেষ দ্রষ্টব্য: এটি একটি স্পনসরড প্রতিবেদন। যাতে প্রদত্ত তথ্য ও দাবির দায় সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপন সংস্থার। এই উল্লেখিত তথ্যের সঙ্গে টিভি৯ বাংলার কোনও সম্পর্ক নেই। তাই এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত তথ্য ব্য়বহারের আগে অবশ্যই যাচাই করে নিন।
Follow Us