
নয়া দিল্লি: ১০০ কোটির দুর্নীতি! আবগারি নীতি দুর্নীতিতে গ্রেফতার হয়েছেন অরবিন্দ কেজরীবাল (Arvind Kejriwal)। এই দুর্নীতিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নয়বার সমন পাঠিয়েছিল ইডি (ED), কিন্তু কোনওবারই হাজিরা দেননি কেজরীবাল। এরপরই ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বাড়ি থেকে ৪টি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আইআইটি খড়্গপুর থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক ডিগ্রি প্রাপ্ত অরবিন্দ কেজরীবালের সম্পত্তি কত জানেন?
নিজেকে আম আদমি বলে দাবি করলেও, বিরোধীরা আগেই অভিযোগ তুলেছিল যে কেজরীবালের বিপুল সম্পত্তি। তাঁর বাড়িতে লাগানো এক একটা পর্দারই দাম নাকি ৫ থেকে ৮ লক্ষ টাকা। এমন মোট ২৩টি পর্দা রয়েছে কেজরীবালের বাড়িতে, যার মোট দাম ৯৭ লক্ষ টাকা। কেজরীবাল নাকি ভিয়েতনাম থেকে ৩ কোটি টাকা দিয়ে বিশেষ মার্বেল আনিয়েছিলেন। কেজরীবালের বাড়ির ৬ টি কার্পেট রয়েছে, যার দাম ১৯ লক্ষ ৮৯ হাজার টাকা। ১১.৩০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে শুধু কেজরীর বাড়ির ইন্টেরিয়র ডেকরেশনেই।
২০২০ সালের নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৯ লক্ষ ৯৫ হাজার ৭৪১ টাকা। স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরীবালের সম্পত্তির পরিমাণ ৫৭ লক্ষ ৭ হাজার ৭৯১ টাকা। স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৬১ লক্ষ টাকা। ১৯৯৮ সালে কেজরীবাল একটি জমি কিনেছিলেন, যার দাম ছিল ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ২০২০ সালের হিসাবে সেই সম্পত্তির দাম আনুমানিক ১.৪ কোটি টাকা।
হলফনামা অরবিন্দ কেজরীবালের হাতে নগদ ছিল ১২ হাজার টাকা। নিজের নামে কোনও ফিক্সড ডিপোজিট না থাকলেও, তার ছেলের নামে স্টেট ব্য়াঙ্ক অব ইন্ডিয়ায় ৩৮ হাজার ৩৩৮ টাকা জমা রাখা আছে।
কেজরীবালের নিজের নামে কোনও বন্ড বা মিউচুয়াল ফান্ড নেই। তবে স্ত্রী সুনীতার নামে এসবিআই-এ ১৫ লক্ষ ৩১ হাজার টাকার মিউচুয়াল ফান্ড রয়েছে।
নিজস্ব গাড়িও নেই কেজরীবালের। তাঁর স্ত্রী সুনীতার মারুতি বলেরো গাড়ি রয়েছে, যার দাম ৬ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সোনার গয়না না থাকলেও, স্ত্রীর কাছে ৩২০ গ্রাম সোনা রয়েছে, যার বাজারমূল্য ১২ লক্ষ টাকা। ১ কেজির রুপোও রয়েছে, যার বাজারমূল্য ৪০ হাজার টাকা।