
পটনা : মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন নীতীশ কুমার। বৃহস্পতিবারই বিহারের রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনি। মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগেই শাহের সঙ্গে দেখা করেন নীতীশ কুমার। তারপর শাহের উপস্থিতিতেই মনোনয়ন পেশ করেন তিনি। নীতীশের রাজ্যসভায় যাওয়ার জল্পনায় সিলমোহর পড়তেই বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, সেই নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হতে পারে নীতীশের ছেলে নিশান্ত কুমারকে। আর মুখ্যমন্ত্রী পদে একাধিক নাম উঠে আসছে। বিজেপিরই কেউ মুখ্যমন্ত্রী হবে বলে শোনা গিয়েছে। তার মধ্যে তিনটি নাম নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই ও প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ জয়সওয়াল। তবে, সূত্রের খবর, সম্রাট চৌধুরী ও নিত্যানন্দ রাইয়ের মধ্যে জোর টক্কর হতে পারে। তিনটে নামের পাশাপাশি আরও একটা নাম উঠে আসছে। দিঘা বিধানসভা থেকে ৫ বারের বিধায়ক সঞ্জীব চৌরাসিয়াও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌঁড়ে নাম লিখিয়েছেন।
এদিকে, বৃহস্পতিবারই দিল্লি উড়ে গিয়েছেন নীশীথের ডান হাত ও জেডিইউ-র প্রবীণ নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিং। লালন সিং নামেও তিনি পরিচিত। তিনি নাকি আজ অমিত শাহের সঙ্গে একই ফ্লাইটে দিল্লি উড়ে গিয়েছেন। সূত্রের খবর, বিহারের নতুন সরকার গঠন নিয়ে দু’জনের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। তার মধ্যে মূলত মুখ্যমন্ত্রী পদে সম্ভাব্য মুখ কারা হতে পারে, উপমুখ্যমন্ত্রিত্ব পদ নিয়েও আলোচনা হবে। একাধিক নাম নিয়ে আলোচনা হলেও বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে কে বসবেন, তা নির্ভর করছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের উপর।
নীতীশ কুমারের বিদায়ের সঙ্গে বিহারের রাজনীতিতে একটি যুগের সমাপ্তি ঘটবে। বৃহস্পতিবারই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বিহারের জনগণকে ধন্যবাদ জানান নীতীশ কুমার। তিনি লেখেন, ““দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে, আপনারা আমার উপর ধারাবাহিকভাবে আস্থা রেখেছেন। সমর্থন করেছেন। সেই আস্থার জোরেই সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে বিহার এবং আপনাদের সকলের সেবা করেছি।” একইসঙ্গে জানিয়েছেন, নতুন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন রয়েছে তাঁর।