
নয়া দিল্লি : পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের (West Asia Conflict) জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের (Oil Prices Rise) দাম বেড়েছে। ফলে দাম বেড়েছে পেট্রোল-ডিজ়েলেরও। এদিকে, জ্বালানির খরচ বাড়ার দুধ, পাউরুটির মতো নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দামও বাড়তে শুরু করেছে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে একেবারে শিয়রে সংক্রান্তি। শুধু পেট্রোল-ডিজ়েল নয়। জেট ফুয়েলের (Jet Fuel) দামও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। ফলে প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে উড়ান সংস্থাগুলিকে। বাতিল হয়ে যাচ্ছে একাধিক ফ্লাইট (Flight Cancelled)।
এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) গত সপ্তাহে জুন থেকে অগস্ট মাস পর্যন্ত একাধিক ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা করেছে। আন্তর্জাতিক রুটে প্রতি সপ্তাহে ১০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হচ্ছে। কিছু নেটওয়ার্ক বিমানবন্দরের সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে মালে, শিকাগো এবং সাংহাইয়ের মতো জায়গাগুলো অন্তর্ভুক্ত। চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীরা। এয়ার ইন্ডিয়া আসন সংখ্যা কমানোর ঘোষণা করেছে। যদিও এটি যাত্রীদের উপর, বিশেষ করে যারা ইতিমধ্যে ফ্লাইটগুলিতে বুকিং করেছেন, তাঁদের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
ফ্লাইট বাতিল হলে কী হবে? সম্পূর্ণই কি বাতিল হয়ে যাবে নাকি বিকল্প কোনও ব্যবস্থা করছে বিমান সংস্থা? এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ফ্লাইট বাতিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ দেবে তারা। অর্থাৎ হয় বিকল্প ফ্লাইটে পুনরায় সিট বরাদ্দ করা হবে। অথবা বিনামূল্যে ফ্লাইটের তারিখ পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হবে। অর্থাৎ আপনি যদি ২০ মে বিমানের টিকিট বুক করেন, আর তা যদি বাতিল হয়ে যায়, তাহলে তার পরিবর্তে আপনাকে অন্য কোনও দিন টিকিট বুকিংয়ের বিকল্প দেবে সংস্থা। এছাড়া, টিকিটের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া হতে পারে।
এয়ার ইন্ডিয়া সান ফ্রান্সিসকো, ভ্যাঙ্কুভার, নিউ ইয়র্কের বিমানবন্দর এবং ইউরোপের ছয়টি শহরে বিমানের সংখ্যা কমিয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া অস্ট্রেলিয়া এবং সিঙ্গাপুরসহ অন্যান্য রুটেও ফ্লাইট সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে। আপনি যদি এই জায়গাগুলিতে যেতে চান,তবে আপনি সামান্য কিছু পরিবর্তন, যেমন—সময় বা দিন পরিবর্তন করে এই রুটে ভ্রমণ করতে পারেন।