
নয়া দিল্লি: জয়পুরে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের জরুরি অবতরণ। হাইজ্যাক অ্যালার্টের পরই ফ্রাঙ্কফুট থেকে দিল্লিগামী বিমানের জরুরি অবতরণ করা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট AI-2030 বিমানে বোমা থাকার আশঙ্কা করেন পাইলট। এরপরই তিনি স্কোয়াক ৭৫০০ কোড পাঠান। তাতেই নড়েচড়ে বসে নিরাপত্তা এজেন্সি। যোগাযোগ করা হয় সিভিল এভিয়েশন মিস্ট্রিতেও। জয়পুর বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
জরুরি অবতরণের পর বিমানটিকে আইসোলেশন বে-তে নিয়ে যাওয়া হয়। নিরাপত্তা প্রোটোকল মেনে বিমানটিতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (CISF), রাজস্থান পুলিশ এবং বম্ব স্কোয়াড বিমানটিতে তল্লাশি চালায়। যাত্রীদের লাগেজও পরীক্ষা করা হয়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সমস্ত যাত্রী ও ক্রু সদস্যকে নিরাপদে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। বিমানবন্দরে রয়েছে NSG টিম।
বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঘটনাটি বোমার হুমকির নয়, বরং হাইজ্যাকেরই গুজব ছিল। তবে তিনি এও বলেছেন যে, তদন্ত এখনও চলছে। ফলে এই মুহূর্তে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছননি তদন্তকারীরা।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত তল্লাশিতে কিছুই মেলেনি। কিন্তু হাইজ্যাক অ্যালার্ট কোথা থেকে এল, সেটা নিয়েই তদন্ত চলছে। বিমানে ২৫০ জন যাত্রী ছিলেন, তাঁরা নিরাপদে রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
অবসরপ্রাপ্ত পাইলট সুশান্ত রায়চৌধুরী বলেন, “স্কোয়াক ৭৫০০ হাইজ্যাক অ্যালার্টই। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে কোনও টেকনিক্যাল ফল্ট (যান্ত্রিক গোলযোগ) হয়েছে।”