Amit Shah: সীমান্তে ১৫ কিমির মধ্যে সব বেআইনি নির্মাণে বুলডোজ়ার, কড়া নির্দেশ অমিত শাহের
Amit Shah orders Demolition of Illegal Constructions: সীমান্তে সুরক্ষা জোরদার করতে তৎপর কেন্দ্রীয় সরকার। স্মার্ট বর্ডারের ঘোষণা আগেই করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবার দেশের সীমান্ত এলাকাগুলোতেও সফর শুরু করেছেন তিনি। মোট চার রাজ্যের সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন তিনি। গতকালই গিয়েছিলেন রাজস্থান। সেখান থেকেই বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া বার্তা শাহের।

জয়পুর: বেআইনি নির্মাণে (Illegal Construction) চলছে বুলডোজ়ার। বাংলায় বিজেপি (BJP in West Bengal) ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বেআইনি নির্মাণগুলি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) স্পষ্ট বার্তা কোনওরকম বেআইনি নির্মাণ রাখা হবে না রাজ্যে। সেক্ষেত্রে কেন্দ্রের বুলডোজ়ার নীতি গ্রহণ করেছে এ রাজ্যের ডবল ইঞ্জিন সরকার। এবার বেআইনি নির্মাণ নিয়ে আরও কড়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় সরকার। বেআইনি নির্মাণে ‘জ়িরো টলারেন্স’-এর বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।
সীমান্ত এলাকায় সফর শাহের
সীমান্তে সুরক্ষা জোরদার করতে তৎপর কেন্দ্রীয় সরকার। স্মার্ট বর্ডারের ঘোষণা আগেই করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবার দেশের সীমান্ত এলাকাগুলোতেও সফর শুরু করেছেন তিনি। মোট চার রাজ্যের সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গে আসছেন ১৫ জুন। তার আগে গতকাল রাজস্থানের সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। তারপর উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজন লাল শর্মা , রাজ্য সরকারের উচ্চ-পদস্থ আধিকারিক এবং পাঁচটি সীমান্তবর্তী জেলা যেমন বিকানের, জয়সলমের, বারমের, শ্রী গঙ্গানগর ও ফালোদির জেলাশাসক ও পুলিশ সুপাররা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের পরই বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া বার্তা দেন অমিত শাহ।
বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া বার্তা
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বার্তা, বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। সেক্ষেত্রে, আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা সব অবৈধ নির্মাণকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন অমিত শাহ। এছাড়া প্রতিটি সীমান্ত জেলার জন্য একটি ৩৬০ ডিগ্রি নিরাপত্তা কাঠামো তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে আর কী নির্দেশ শাহের?
অনুপ্রবেশ, মাদক চোরাচালান, বেআইনি দখল ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলা করার জন্যৃ বিএসএফ, এনসিবি এবং রাজ্য সরকারকে যৌথভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। জেলা শাসকদের দায়িত্ব আরও বাড়ানোরও নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে সমস্ত ব্যাঙ্কের লেনদেনে সব আইন ও আর্থিক নিয়ম মেনে চলা হচ্ছে কি না, বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিকে যাচাই করা,অর্থের উৎস খতিয়ে দেখা, মিউল অ্যাকাউন্ট ও শেল কোম্পানির উপর নজরদারি, ভুয়ো আধার কার্ড শনাক্ত করা এবং পাচার রোধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
