Arun Yogiraj: রামলালার মূর্তি দেখতে আসতেন হনুমান, অদেখা ছবি দিলেন অরুণ যোগীরাজ

Arun Yogiraj: রামলালা মূর্তি তৈরির বিষয়ে অনেক খুঁটিনাটি জানিয়েছেন কর্নাটকের মাইসুরুর এই ভাস্কর। জানিয়েছেন, মূর্তি তৈরির সময় রোজ বিকেলে মূর্তি দর্শন করতে আসতেন স্বয়ং 'হনুমান'। আর যে সুদৃশ্য রথে চড়ে, তাঁর স্টুডিয়ো থেকে অযোধ্যার মন্দিরে পাড়ি দিয়েছিলেন রামলালা, সেই রথের একটি ছবিও প্রকাশ করেছেন তিনি।

Arun Yogiraj: রামলালার মূর্তি দেখতে আসতেন হনুমান, অদেখা ছবি দিলেন অরুণ যোগীরাজ
যে রথে প্রাসাদে পাড়ি দিয়েছিলেন রামলালা, সেই পতের ছবি দিলেন অরুণ যোগীরাজImage Credit source: Instagram

Jan 27, 2024 | 5:05 PM

অযোধ্যা: প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর, অযোধ্যার রামলালা মন্দিরে এখন ভক্তের ঢল নেমেছে। সকলেই বলছেন, রামলালা মূর্তি দর্শন করলে মন ভক্তিভাবে ভরে যাচ্ছে। এমনকি, মূর্তিটি তৈরি করেছেন যে ভাস্কর,সেই অরুণ যোগীরাজও বলেছেন, প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর, তিনিও রামলালা মূর্তি চিনতে পারছেন না। এই মূর্তি তাঁর নিজের হাতে গড়া, তা বিশ্বাসই হচ্ছে না। বস্তুত, রামলালা মূর্তি তৈরির বিষয়ে অনেক খুঁটিনাটি জানিয়েছেন কর্নাটকের মাইসুরুর এই ভাস্কর। জানিয়েছেন, মূর্তি তৈরির সময় রোজ বিকেলে মূর্তি দর্শন করতে আসতেন স্বয়ং ‘হনুমান’। আর যে সুদৃশ্য রথে চড়ে, তাঁর স্টুডিয়ো থেকে অযোধ্যার মন্দিরে পাড়ি দিয়েছিলেন রামলালা, সেই রথের একটি ছবিও প্রকাশ করেছেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি পোস্ট করে অরুণ জানিয়েছেন, ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠার ৫ দিন আগে, ১৭ জানুয়ারি রাতে মন্দিরে পাড়ি দিয়েছিলেন রামলালা। তার আগে স্টুডিয়োতে ৭ মাস ধরে তিনি মূর্তিটি খোদাই করেন। তারপর রথে চড়ে প্রাসাদে যাত্রা করেন রাম। সঙ্গে ছিল বহু মানুষ। যেটিকে রথ বলা হচ্ছে, সেটি আসলে একটি ছোট মাপের ট্রাক। সেটি সম্পূর্ণ ফুলে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। ফুল দিয়ে স্বস্তিক চিহ্নও আঁকা ছিল সেই রথে। ছবিটিতে খোদ ভাস্করকে দেখা যাচ্ছে সেই রথের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে।


এই রথের ছবিটি শেয়ার করার পাশাপাশি, ৭ মাসে ধরে এই বিগ্রহ গড়ার সয়ের অনেক অভিজ্ঞতাই জানিয়েছেন অরুণ যোগীরাজ। ভাস্কর বলেছেন, মূর্তি তৈরির সময় খোদ ঈশ্বরই তাঁকে পথ দেখিয়েছিলেন। আর মূর্তিটি কেমন হচ্ছে,তা দেখতে রোজ আসতেন হনুমান। অরুণ যোগীরা জানিয়েছেন, মূর্তিটি তৈরির সময় প্রতিদিন বিকাল ৪ থেকে ৫টার মধ্যে একটি বানর আসত তাঁর স্টুডিয়োয়। ঠান্ডার কারণে, তাঁর স্টুডিয়ো চারিদিক থেকে ত্রিপল দিয়ে ঘেরা ছিল। দরজা বন্ধ করে কাজ করতেন তিনি। কিন্তু, তারপরও প্রতিদিন বিকেল ৪টে থেকে ৫টার মধ্যে বানরটি এসে, তাঁর স্টুডিয়োর দরজায় জোরে জোরে ধাক্কা দিত। তিনি দরজা খুলে দিতেন, মূর্তিটি দেখে চলে যেত বানরটি। অরুণ যোগীরাজ বলেছেন, “সম্ভবত ওই বানরটি ছিল খোদ হনুমানজি। ভগবান শ্রীরামকে দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। আমি রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক, চম্পত রাইজিকেও এই কাহিনি বলেছি।”

Follow Us