Supreme Court: খালিদের জামিন খারিজের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল! নিজেদের রায়ের সমালোচনা সুপ্রিম কোর্টের

Supreme Court on Umar Khalid Case: বিচারপতি বি ভি নাগরত্না এবং বিচারপতি ভুইয়াঁর একটি বেঞ্চ জানিয়েছে, ইউএপিএ-এর অধীনে থাকা মামলাগুলির ক্ষেত্রে জামিনই নিয়ম, জেল ব্যতিক্রম। এই নীতিটি প্রযোজ্য থাকবে। ২০২০ সালে দিল্লিতে অশান্তির অভিযোগে সেপ্টেম্বর মাস থেকে জেলে বন্দি রয়েছেন উমর। চলতি বছরের জানুয়ারিতেও খালিদের জামিন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। কিছুদিন আগে এপ্রিলেও জামিন মঞ্জুর করেনি সুপ্রিম কোর্ট।

Supreme Court: খালিদের জামিন খারিজের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল! নিজেদের রায়ের সমালোচনা সুপ্রিম কোর্টের
উমর খালিদImage Credit source: Tv9 Bangla

May 18, 2026 | 5:00 PM

নয়া দিল্লি :  জামিন খারিজের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টই (Supreme Court)। এবার নিজেদের সেই নির্দেশের সমালোচনা করল শীর্ষ আদালত। সম্প্রতি, ছাত্রনেতা উমর খালিদের (Umar Khalid) জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। উমরদের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে আদালতের রায় মানা হয়নি। এমনই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চের।

সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

বিচারপতি বি ভি নাগরত্না এবং বিচারপতি ভুইয়াঁর একটি বেঞ্চ জানিয়েছে, ইউএপিএ-এর অধীনে থাকা মামলাগুলির ক্ষেত্রে জামিনই নিয়ম, জেল ব্যতিক্রম। এই নীতিটি প্রযোজ্য থাকবে। ২০২০ সালে দিল্লিতে অশান্তির অভিযোগে সেপ্টেম্বর মাস থেকে জেলে বন্দি রয়েছেন উমর। চলতি বছরের জানুয়ারিতেও খালিদের জামিন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। কিছুদিন আগে এপ্রিলেও জামিন মঞ্জুর করেনি সুপ্রিম কোর্ট।

সুপ্রিম কোর্ট ২০২১ সালে ‘ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া বনাম কেএ নাজিব’ মামলায় একটি যুগান্তকারী রায়ে জানিয়েছিল, দ্রুত বিচার পাওয়ার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে তা ইউএপিএ মামলায় সাংবিধানিক আদালত জামিন মঞ্জুর করতে পারে। খালিদের জামিনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করার সময় যথাযথভাবে সেই নিয়ম প্রয়োগ করা হয়নি।

বিচারপতি ভুঁইয়া বলেন, “কম সদস্যের বেঞ্চের দেওয়া রায় বেশি সদস্যের বেঞ্চের ঘোষিত আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত থাকে।এই ধরনের বাধ্যতামূলক নজির অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে অথবা সন্দেহ হলে বিষয়টি বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠাতে হবে। একটি ছোট বেঞ্চ বৃহত্তর বেঞ্চের সিদ্ধান্তকে দুর্বল করতে বা এড়িয়ে যেতে বা অগ্রাহ্য করতে পারে না।” তিনি মূলত, জানুয়ারিতে খালিদের জামিন নামঞ্জুর করা দুই বিচারপতির বেঞ্চের কথা উল্লেখ করছিলেন।

উল্লেখ্য, জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন ছাত্রনেতা ও কর্মী খলিদ। তাঁকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লিতে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁকে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে গ্রেফতার করা হয়েছিল। দিল্লি পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে সিএএ-বিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন উস্কানিমূলক বক্তৃতা দেওয়ার অভিযোগ আনে এবং দাবি করে যে তিনি একটি পূর্ব-পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ ছিলেন।

Follow Us