Bank Money Stolen: বুকের পাটা দেখুন! রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রায় ৯ কোটি টাকা চুরি করে বাড়ি-গাড়ি কিনে ফেললেন সরকারি ব্যাঙ্কের কর্মী…

Reserve Bank money stolen: ধৃতের ধারণা ছিল, সিসিটিভিতে তাঁর কীর্তি ধরা পড়লেও, তা ৯০ দিন পর নিজে থেকেই ডিলিট হয়ে যাবে। সেই কারণেই তিনি নিয়মিত ডিউটিতে আসছিলেন। ৯০ দিন হয়ে যেতেই তিনিও উধাও হয়ে যান 'সিক লিভ' নিয়ে।  

Bank Money Stolen: বুকের পাটা দেখুন! রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রায় ৯ কোটি টাকা চুরি করে বাড়ি-গাড়ি কিনে ফেললেন সরকারি ব্যাঙ্কের কর্মী...
উদ্ধার হওয়া টাকার সঙ্গে অভিযুক্ত।Image Credit source: X

|

May 25, 2026 | 9:17 AM

আহমেদাবাদ: কথায় আছে, যেখানে বাঘের ভয়, সেখানেই সন্ধ্যা হয়। বাড়ি থেকে চুরির ভয়ে সকলে ব্যাঙ্কে টাকা রাখেন, যাতে জমা পুঁজি সুরক্ষিত থাকে। কিন্তু সেখান থেকেই যদি চুরি যায় টাকা! তাও আবার বাইরের কেউ নয়, ব্যাঙ্কের কর্মীই চুপিসাড়ে হাতিয়ে নিয়েছিল ৮.৭ কোটি টাকা!

রবিবারই গুজরাটের আহমেদাবাদ থেকে এক সরকারি ব্যাঙ্কের কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই ব্যক্তি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার টাকার ভাঁড়ার বা কারেন্সি চেস্ট থেকে এই বিপুল পরিমাণ টাকা সরিয়ে নেন। ওই চুরি করা টাকা দিয়ে তিনি একাধিক সম্পত্তি কেনেন, বিনিয়োগ করেন ক্রিপ্টোকারেন্সিতে।

গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে খবর এসেছিল। সেই অনুযায়ী, ব্যাঙ্ক অব বরোদার জুনিয়র কাস্টোডিয়ান হরসিদ্ধ কাদিয়ার নামক এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্ক অব বরোদার ওই ব্রাঞ্চে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মুদ্রা ভাণ্ডার (currency chest) রয়েছে। চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি, ওই ভাঁড়ার থেকে আট কোটি টাকারও বেশি চুরি করেন ওই ব্যক্তি।

ব্যাঙ্কে তিনি বলেছিলেন যে পুরনো লোহার বাক্সগুলি ফেলে দিচ্ছেন। দুইজন শ্রমিকও নিয়ে আসেন। তবে পুরনো লোহা ফেলার বদলে তাদের হাত দিয়েই ৮.৭ কোটি টাকা উধাও করে দেন। যাতে তাঁর উপরে কোনও সন্দেহ না হয়, তার জন্য গত ২০ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি নিয়মিত ব্যাঙ্কে যেতেন ডিউটি করতে।

ধৃতের ধারণা ছিল, সিসিটিভিতে তাঁর কীর্তি ধরা পড়লেও, তা ৯০ দিন পর নিজে থেকেই ডিলিট হয়ে যাবে। সেই কারণেই তিনি নিয়মিত ডিউটিতে আসছিলেন। ৯০ দিন হয়ে যেতেই তিনিও উধাও হয়ে যান ‘সিক লিভ’ নিয়ে।

সম্প্রতিই চুরি নজরে আসে যখন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে রুটিন ভেরিফিকেশন করা হয়। নতুন ইন চার্জ দায়িত্ব নিতেই লক্ষ্য করেন যে কোটি কোটি টাকা উধাও হয়ে গিয়েছে। এরপর গত ১৫ মে এফআইআর দায়ের করা হয়।

পুলিশ তদন্তে নেমে কাদিয়ারকে গ্রেফতার করে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে। তাঁর গাড়ি থেকে নগদ ২.২ কোটি টাকা পাওয়া যায়। জেরায় ওই ব্যক্তি স্বীকার করে নেন যে তিনিই টাকা চুরি করেছিলেন। ওই টাকা দিয়ে তিনি একটি বাড়ি, একটি বাণিজ্যিক গাড়ি কিনেছেন। আহমেদাবাদে একটি দোকানও কিনেছেন।

এক মহিলা সহকর্মীকেও অভিযুক্ত ২৩ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন আরেকটি বাড়ি কেনার জন্য। তাঁকে আলাদাভালে ৫ লক্ষ টাকা নগদও দেন। অভিযুক্ত চুরি করা টাকার একটা অংশ স্টক মার্কেট ও ক্রিপ্টোকারেন্সিতেও বিনিয়োগ করেছেন।

Follow Us