CBSE New Education Policy: ৭ দিনের মধ্যেই চালু করতে হবে, CBSE-র সিলেবাস নিয়ে বড় নির্দেশ!
CBSE Third Language Rule: বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, কোন স্কুলে কোন ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসাবে বেছে নেওয়া হচ্ছে, তা নোটিস দিয়ে এবং ওয়েসিস পোর্টালে (OASIS portal) আপলোড করতে হবে। রিজিওনাল অফিসগুলি গোটা বিষয়টি নজরদারি করবে।

নয়া দিল্লি: নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই আসছে বড় পরিবর্তন। বাধ্যতামূলক হচ্ছে তৃতীয় ভাষা বা থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ। সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE)-র ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে তৃতীয় ভাষার সংযোজন বাধ্যতামূলক করা হল। সমস্ত স্কুলকে আগামী সাত দিনের মধ্যে এই নিয়ম মানতে বলা হয়েছে।
আজ, বৃহস্পতিবার সিবিএসই-র তরফে নির্দেশিকা দিয়ে বলা হয়েছে, তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে এই ভাষার সংযোজন করতে হবে। এই অত্যন্ত জরুরি ও বাধ্যতামূলক বলেই উল্লেখ করা হয়েছে। টেক্সটবুক না থাকলেও, বোর্ডের অন্তর্গত সমস্ত স্কুলকে আগামী সাতদিনের মধ্যে তৃতীয় ভাষা পঠনপাঠন শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইতিমধ্যেই অনেক স্কুল তৃতীয় ভাষা চালু করেছে। বাকি সমস্ত স্কুলকেও অবিলম্বে তৃতীয় ভাষা চালু করতে বলা হয়েছে। পড়ুয়ারা ষষ্ঠ শ্রেণিতে যে ভাষা বেছে নেবেন, সেটিই পরবর্তী সময়ে, নবম ও দশম শ্রেণিতে পডুয়াদের দেওয়া হবে।
এখনও পর্যন্ত সিবিএসই-র তরফে অফিসিয়াল টেক্সটবুক প্রকাশিত না হওয়ায়, স্থানীয় অঞ্চলে যে বইগুলি রয়েছে, সেগুলি দিয়েই পঠন-পাঠন শুরু করতে বলা হয়েছে। শীঘ্রই অফিসিয়াল বইও আনা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, কোন স্কুলে কোন ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসাবে বেছে নেওয়া হচ্ছে, তা নোটিস দিয়ে এবং ওয়েসিস পোর্টালে (OASIS portal) আপলোড করতে হবে। রিজিওনাল অফিসগুলি গোটা বিষয়টি নজরদারি করবে।
তিন ভাষার ফর্মুলা কী?
ভারতীয় ভাষার উপরে জোর দিতেই স্কুল শিক্ষা ২০২৩-র অধীনে ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্কে স্কুলের পঠনপাঠনে তিনটি ভাষা পড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি আঞ্চলিক ভাষা, একটি ভারতীয় ভাষা বা ইংরেজি এবং তৃতীয় আরেকটি ভারতীয় ভাষা পড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
