
নয়া দিল্লি: আধার কার্ড থেকে ভোটার কার্ড, ফোন নম্বর, এমনকী ব্যাঙ্ক ডিটেইলসও জানাতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকে। প্রথম ধাপে জনগণনা (Census) ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে। এবার দ্বিতীয় ধাপ বাকি। আর সেখানেই সাধারণ নাগরিকদের ৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
২০২৭ সালে জনগণনার তালিকা প্রকাশ পাবে। তার আগে দ্বিতীয় ভাগের জনগণনা সম্পূর্ণ করা হবে। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৪ জানুয়ারির মধ্যে এই ধাপ পূরণের কাজ চলবে। এই প্রথম জনগণনা বা সেনসাসে জাতিভিত্তিক তথ্য যেমন সংগ্রহ করা হবে, তেমনই ব্যক্তিগত বেশকিছু তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। ব্যক্তিগত তথ্যের মধ্যে মোবাইল নম্বর, আধার নম্বর, ভোটার আইডি, পাসপোর্ট নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স স্টেটাস জানতে চাওয়া হবে। এমনটাই ঘোষণা করেছে রেজিস্ট্রারার জেনারেল অব ইন্ডিয়া।
১৮৭২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত যতবার জনগণনা হয়েছে, তাতে এই ধরনের কোনও প্রশ্ন ছিল না। সাধারণত জনজাতি বা উপজাতি ক্যাটেগরির অন্তর্ভুক্ত কি না, তা জানা হত। তবে এবার জাত সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। ব্যক্তিগত তথ্য, বিয়ের স্টেটাস, বিয়ের সময় বয়স, স্বামীর নাম, নাগরিকত্ব, মাতৃভাষা, অন্য কোন ভাষা জানেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ডিজিটাল লিটেরেসি স্টেটাস সহ অন্যান্য তথ্য জানতে চাওয়া হবে।
জনগণনার এই দ্বিতীয় ধাপে করোনা টিকাকরণ হয়েছে কি না, সেই তথ্যও জানতে চাওয়া হবে। ৩৪ নম্বর প্রশ্ন থাকবে এটি। কোনও ব্যক্তি কোভিড ভ্যাকসিন নিয়েছেন কি না, তিনি ভারতে নাকি অন্য কোনও দেশে করোনার টিকা নিয়েছেন, তা জানতে চাওয়া হবে।
৩৫ নম্বর প্রশ্নেই ব্যক্তির ব্যাঙ্ক ডিটেইল চাওয়া হবে। কতগুলি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তা জানতে চাওয়া হবে। তবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর জানতে চাওয়া হবে না।
৩৬ নম্বর প্রশ্নে জানতে চাওয়া হবে মোবাইল নম্বর রয়েছে কি না, যদি থাকে, তাহলে সেই নম্বর জানাতে হবে।
৩৭ নম্বর প্রশ্নে আধার কার্ডের নম্বর, ৩৮ নম্বর প্রশ্নে ভোটার আইডি নম্বর জানতে চাওয়া হবে। ৩৯ নম্বর প্রশ্নে জানতে চাওয়া হবে যে ওই ব্যক্তির ভারতীয় পাসপোর্ট রয়েছে কি না। যদি থাকে, তাহলে সেই নম্বর জানাতে হবে। ৪০ নম্বর প্রশ্নে ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কি না, তা জানতে চাওয়া হবে।
রেজিস্ট্রারার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, এই সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য় জানতে চাওয়া হলেও, এর কোনও নথি বা ফোটোকপি চাওয়া হবে না।