
নয়া দিল্লি: ছাড়া পেলেন অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। দিল্লি পুলিশের তরফে তাদের প্রিভেনটিভ অ্যারেস্ট বা প্রতিরোধমূলক আটক করা হয়। আজ, রবিবার তাদের এগজেকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হয়। ম্য়াজিস্ট্রেটের নির্দেশেই তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
আজ সকালে আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার সিজেপি নেতাদের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাদের আটক করার যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে।
জানা গিয়েছে, আজ ককরোচ জনতা পার্টি ফের একবার ‘যন্তর মন্তর চলো’ অভিযানের ডাক দিয়েছে। সেই আন্দোলনে ফের অশান্তির আশঙ্কাতেই সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে প্রিভেনটিভ অ্যারেস্ট করা হয়। ককরোচ জনতা পার্টির আইনি প্রধান রত্না সিং-ও এগজেকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন।
এ দিন সকালে রত্না সিং এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, “অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে আজ সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ স্টেশনে এগজেকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হবে। দিল্লি পুলিশের আধিকারিকরা আমায় সকালে এই বিষয়ে জানিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান হিসাবে আমিও আইনজীবীদের সঙ্গে থানায় উপস্থিত থাকব।”
প্রসঙ্গত, গতকাল দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে যোগ দিতেই মুম্বই থেকে দিল্লিতে আসেন সিজেপির তিন শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তাদের দিল্লির রাস্তায় পা রাখতেও দেওয়া হয়নি। তার আগেই বিমানের ভিতর থেকে পুলিশ অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়। আজ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পেশ করার পর তাদের মুক্তি দেওয়া হল।
অন্যদিকে, শনিবার সকালেই গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটক করা হয় ধ্রুব রাঠিকেও। সারা রাত তাদের খোঁজ না পাওয়া গেলেও, আজ সকালে ধ্রুব রাঠিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। তবে তাঁর মুক্তি শর্ত সাপেক্ষে দেওয়া হয়েছে। দিল্লির যন্তর মন্তরের ধারে-কাছেও যেতে পারবেন না জনপ্রিয় ইউটিউবার। তাহলেই তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।