
নয়া দিল্লি ও মুম্বই: একদিকে দেশের বাণিজ্য নগরী, অন্যদিকে দেশের রাজধানী। দেশের দুই প্রাণ কেন্দ্রে একসঙ্গে আন্দোলনে নামল ককরোচ জনতা পার্টি। আজ, ২ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে যেমন আন্দোলন হয়, তেমনই মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কেও বিকেল থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। সিজেপির দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দিতে হবে। পাশাপাশি ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা ফ্রিজ করার দাবিও করছে তাঁরা।
দিল্লির যন্তর মন্তরের আন্দোলনে কমপক্ষে ৫০০-রও বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। আপ নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অতিশি, সৌরভ ভরদ্বাজ, সঞ্জয় সিং-কে আটক করা হয়। সিপিএম-র সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি ও দলের নেত্রী বৃন্দা কারাতকেও কার্যত টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
নয়া দিল্লিতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা কার্যকর করা হয়েছে। বিনা অনুমতিতে জমায়েত ও বিক্ষোভ প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আজ রাত ৯টা পর্যন্ত ইন্টারনেট বন্ধ থাকবে। দিল্লির জনপথ, পটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, রাজীব চক, মান্ডি হাউস, লোক কল্যাণ মার্গ সহ একাধিক মেট্রো স্টেশন আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
शिवाजी पार्क मुंबई में ज्ञानेश कुमार के इस्तीफा के लिए लाखों लोग इकट्ठा हो गए हैं,
अगर थोड़ी सी भी शर्म बची हुई हो तो खुद ही इस्तीफा दे देना चाहिए,
लोगों का अब आप पर एक परसेंट भी भरोसा नहीं रहा,
लोग अब आपको वोट चोर समझने लगे हैं क्योंकि अपने काम ही ऐसा किया है। pic.twitter.com/2D1BPZHSOG
— Cockroaches of India (@CJP_for_India) October 2, 2026
এদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে মুম্বইতে জেল ভরো আন্দোলনের ঘোষণা করেছেন। আজ সকালেই তিনি জানিয়েছিলেন যে তাঁকে আটক করার চেষ্টা করেছিল। পরে তাঁকে চা খাইয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। দীপকের দাবি, সিজেপির আন্দোলনের অনুমতি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। যদিও মুম্বই পুলিশের যুক্তি, ২০১৩ সালে বম্বে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী শিবাজি পার্কে জমায়েত করতে দেওয়ার অধিকার বা ক্ষমতা পুলিশের নেই কারণ এটি সাইলেন্স জ়োন।
জ্ঞানেশ কুমারকে আক্রমণ করে বলেন, যতক্ষণ ‘গো জ্ঞানু, গো’ দাবি পূরণ হবে না, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসকেও চ্যালেঞ্জ করেন শিবাজি পার্কে আসা আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করার। সিজেপির এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি।