
নয়াদিল্লি: আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা। একের পর এক সিজেপি ও বিরোধী নেতাদের আটক। এরপর সিজেপির আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কী? শনিবার দিল্লি পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার পর এই প্রশ্ন উঠছে। এই পরিস্থিতিতে ককরোচ জনতা পার্টি স্পষ্ট করে দিল, তাদের আন্দোলন থামবে না। অভিজিৎ দীপকেদের অনুস্থিতিতি সিজেপিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন অজিঙ্ক শিন্ডে। এদিন টিভি৯ বাংলাকে তিনি জানালেন, তাঁদের আন্দোলন জারি থাকবে। আগামিকালও (রবিবার) যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা করবেন তাঁরা।
কী বললেন অজিঙ্ক শিন্ডে?
এদিন দিল্লি পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার পর অজিঙ্ক শিন্ডে বলেন, “বাতাস ও জল ছাড়া সব কিছু বন্ধ করেছে। সরকার আমাদের ও সাধারণ মানুষকে ভয় পাচ্ছে। সরকারের এই ভয়েই স্পষ্ট যে আমাদের আন্দোলনের এটা অর্ধেক জয়।”
এরপরই কেন্দ্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “সরকার ভাবছে, এদের আটক করলে আন্দোলন আজই শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু, এটা আন্দোলনের শুরু। এই আন্দোলন ততক্ষণ চলবে, যতক্ষণ না জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা দিচ্ছেন। আজ যত লোককেই আটক করা হোক না কেন, আগামিকাল আমরা ফের আসব। যন্তর মন্তরের দিকে যাব।”
সিজেপির তিন নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কাকে এদিন আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে সিজেপি নেতৃত্ব কোনওরকম যোগাযোগ করতে পারছেন না। এদিন পুলিশ তাঁকে আটক করার সময় দীপকে জানিয়ে দেন, সিজেপির আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে অজিঙ্ক শিন্ডেকে। অজিঙ্ক সিজেপির অর্গানাইজেশন ইন চার্জ। যতক্ষণ না দীপকে এবং অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্বরা ছাড়া পাচ্ছেন, ততক্ষণ তিনিই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন।
আর দায়িত্ব পেয়েই অজিঙ্ক জানিয়ে দিলেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন জারি থাকবে। জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ করতে বাধ্য হবেন বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী। বিরোধী দলগুলির নেতারা যেভাবে তাঁদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে রাস্তায় নেমেছেন, সেকথা উল্লেখ করেন তিনি। এদিকে, সিজেপির যাঁরা আটক হয়েছেন, তাঁদের আইনি সহায়তার জন্য একটি ফর্ম বিলি করা হল এদিন।