স্কুলে সিনিয়র দাদাদের র‌্যাগিং, পায়ুূদ্বারে লাঠি ঢুকিয়ে দিল সহপাঠী, মরো মরো অবস্থা কিশোরের

Ragging: অস্ত্রোপচারের পরই চিকিৎসকরা আন্দাজ করেন, কিশোরের সঙ্গে অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা ঘটেছে। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাঁর মেডিক্যাল রিপোর্টে দেখা যায়, শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এমনকী পায়ুদ্বারে কাঠের কোনও বস্তু ঢোকানো হয়েছিল বলেও জানা যায়। 

স্কুলে সিনিয়র দাদাদের র‌্যাগিং, পায়ুূদ্বারে লাঠি ঢুকিয়ে দিল সহপাঠী, মরো মরো অবস্থা কিশোরের
প্রতীকী ছবিImage Credit source: Twitter

|

Apr 07, 2024 | 10:07 AM

নয়া দিল্লি: স্কুলে সামান্য কথা কাটাকাটি, সেখান থেকে মারপিট। পড়ুয়াদের মধ্যে এমন প্রায় সময়ই হয়। কিন্তু সেই বচসার যে এমন ভয়ঙ্কর পরিণতি হতে পারে, তা কল্পনাও করতে পারেনি কেউ। অষ্টম শ্রেণির এক পড়ুয়াকে নিগ্রহের অভিযোগ উঠল স্কুলের সিনিয়রদের বিরুদ্ধে। ওই কিশোরের এক সহপাঠী তাঁর পায়ুদ্বারে লাঠি ঢুকিয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত কিশোরদের আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৪ বছরের ওই কিশোর অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। তাঁর বোনও ওই স্কুলেই পড়ে। ঘটনাটি ঘটেছে ১৮ মার্চ। দিন কয়েক আগে, স্কুলে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাক-বিতণ্ডা হয়েছিল পড়ুয়াদের মধ্যে। এরপরই ১৮ মার্চ স্কুলের সিনিয়ররা তাঁর উপরে চড়াও হয়। ব্যাপক মারধর করে। যদি মুখ খোলে, তবে তাঁর বোনেরও একই পরিণতি করবে বলেই ভয় দেখিয়েছিল। সেই কারণে বাড়িতে কিছু বলেনি কিশোর।

২০ মার্চ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে কিশোর। তাঁর পেটে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হয়। স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায় তাঁর মা-বাবা। কিন্তু বিশেষ কোনও লাভ হয়নি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, ২৮ মার্চ ওই কিশোরকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তাঁর অস্ত্রোপচারও করতে হয়।

অস্ত্রোপচারের পরই চিকিৎসকরা আন্দাজ করেন, কিশোরের সঙ্গে অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা ঘটেছে। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাঁর মেডিক্যাল রিপোর্টে দেখা যায়, শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এমনকী পায়ুদ্বারে কাঠের কোনও বস্তু ঢোকানো হয়েছিল বলেও জানা যায়।

২ এপ্রিল কিশোরের জ্ঞান ফেরে। এরপরে পরিবারের সদস্যরা জিজ্ঞাসা করলে গোটা ঘটনা খুলে বলে সে। তাঁর বয়ানের ভিত্তিতে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। কিশোর পুলিশকে জানায়, স্কুলের কয়েকজন সিনিয়র দাদা তাঁকে মারধোর করেছিল। এক সহপাঠী তাঁর পায়ুদ্বারে জোর করে লাঠি ঢুকিয়ে দেয়। মুখ না খোলার জন্যও হুমকি দেওয়া হয়েছিল তাঁকে।

অভিযুক্ত কিশোরদের আটক করা হয়েছে এবং জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের কাছে পেশ করা হয়েছে। নিগৃহীত কিশোরের পরিবার স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও গাফিলতির অভিযোগ এনেছেন। প্রিন্সিপাল তাদের স্কুলে ঢুকতে দেননি বলেও অভিযোগ।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us