
নয়া দিল্লি: গত জুলাই মাসে বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়েছিল যন্তর মন্তর। ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের জেরে পদত্যাগ করেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শুধু ককরোচদের আন্দোলন নয়, গত কয়েক বছরে বিরোধী দলগুলির তরফে একাধিক বিক্ষোভের ছবি দেখা গিয়েছে এই যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar)। সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতেও সেই যন্তর মন্তরই হয়ে উঠেছে এপিসেন্টার। তার মাঝেই বিক্ষোভস্থল হিসেবে যন্তর মন্তরকে ‘ডিনোটিফাই’ করল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। অর্থাৎ যন্তর মন্তরে আর কেউ বিক্ষোভ দেখাতে পারবেন না।
আজ যখন, ইন্ডিয়া (INDIA) ব্লকের নেতা-নেত্রীরা সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন ফাইল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই সামনে এল এই নির্দেশিকা। দিল্লি পুলিশ কমিশনার ওই নির্দেশিকা জারি করেছেন।
নতুন নির্দেশিকায় তিনটি বিকল্প জায়গার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও সিবিডি গ্রাউন্ডে বিক্ষোভ দেখাতে পারে কোনও দল বা সংগঠন। ২০২২ সালের এপ্রিলে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে চিহ্নিত করে অর্ডার দেওয়া হয়েছিল। সেই অর্ডারেই এবার বদল আনা হয়েছে। তিনটি জায়গার বিক্ষোভের পৃথক পৃথক এসওপি পরবর্তীতে দেওয়া হবে পুলিশের তরফে।
এই নির্দেশিকার পর যা দাঁড়াল তাতে, নয়া দিল্লি এলাকায় আর কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচি হবে না। নতুন নির্ধারিত জায়গাগুলি সবই পুরনো দিল্লিতে। উল্লেখ্য, এর আগে ইউপিএ জমানায়, নির্ভয়া-কাণ্ডের পর যন্তর মন্তর বা ইন্ডিয়া গেটের কাছে প্রতিবাদ কর্মসূচির অনুমতি চাইলেও, তা দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে দেখা গিয়েছিল, আন্না হাজারের নেতৃত্বে রামলীলা ময়দানে লাগাতার বিক্ষোভ চলে।
এদিকে, ককরোচ জনতা পার্টি জানিয়েছে, পুলিশ যে দিন নির্ধারণ করে দেবে, সেদিনই প্রতিবাদ কর্মসূচি করতে চায় তারা। এই বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে ককরোচদের আলোচনা চলছে। তারই মধ্যে দিল্লি পুলিশের এই নির্দেশিকার বিরোধিতা করেছেন সিজেপি (CJP)।