Delhi SIR: লিস্টে নাম নেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল ও পরিবারের! নোটিস গেল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও, দিল্লির SIR-এ হচ্ছেটা কী?
Delhi Draft Voter List: দিল্লিতে ভোটার তালিকায় নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর চলছে। গত ৩১ অগস্ট খসড়া তালিকা প্রকাশ পায়। তারপরই দেখা যায় বহু মানুষের নাম পড়েছে। অনেকের নাম আবার লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র তালিকায় নাম রয়েছে।

নয়া দিল্লি: এতদিন রাজ্য সামলেছিলেন। এখন তারই নাম নেই খসড়া ভোটার তালিকায়! শনিবার আম আদমি পার্টি দাবি করল, দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরীবাল ও তাঁর পরিবারের নাম দিল্লির ভোটার লিস্টে পাওয়া যাচ্ছে না। এসআইআর চলাকালীন এই অভিযোগে স্বাভাবিকোবাবেই শোরগোল পড়ে যায়। আপের দাবির পাল্টা জবাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশনও। কী যুক্তি তাদের?
নাম নেই কেজরীবালের!
দিল্লিতে ভোটার তালিকায় নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর চলছে। গত ৩১ অগস্ট খসড়া তালিকা প্রকাশ পায়। তারপরই দেখা যায় বহু মানুষের নাম পড়েছে। অনেকের নাম আবার লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র তালিকায় নাম রয়েছে।
কেন নাম নেই?
অরবিন্দ কেজরীবাল ও তাঁর পরিবারের নাম খসড়া ভোটার তালিকায় খুঁজে পাওয়া যায়নি কারণ তাদের নামও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকায় রয়েছে। জানা গিয়েছে, মোট ৩৩.১ লক্ষ ভোটারের নাম এই তালিকায় রয়েছে। আর সেখানে শুধু দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীই নয়, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তারও নাম রয়েছে।
অরবিন্দ কেজরীবাল ছাড়াও তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরীবাল, মা গীতা দেবী, বাবা গোবিন্দ রাম কেজরীবাল ও ছেলে পুলকিত কেজরীবালের নামে নোটিস ইস্যু করা হয়েছে। গত বছর দিল্লি নির্বাচনে তারা সকলেই ভোট দিয়েছিলেন। আম আদমি পার্টি সেই তথ্যকেই হাতিয়ার করে প্রশ্ন তোলে যে দিল্লির তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল ও তাঁর পরিবারের নাম কীভাবে খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে?
কী বলছে কমিশন?
আগামী ৪ নভেম্বর দিল্লিতে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। আম আদমি পার্টির দাবিতে হইচই পড়ার পরই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয় যে কেজরীবাল ও তার পরিবারের নাম লিস্টে রয়েছে। কেজরীবালরা ২০০২ সালের ভোটার লিস্টের সঙ্গে ম্যাপিং করেননি বলে তাদের নামে নোটিস ইস্যু করা হয়েছে।
বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর নামে নোটিস কেন?
দিল্লির বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার নামেও নোটিস ইস্যু করা হয়েছে। তাঁর নামেও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি রয়েছে। মা-বাবার বয়সের থেকে তাঁর বয়সের ব্যবধান ১৫ বছরের কম হওয়ায় নোটিস দেওয়া হয়েছে। যদিও পরে শালিমার বাগের নির্বাচনী আধিকারিক জানান যে তথ্য যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর নাম যোগ করা হয়েছে।
দিল্লির খসড়া ভোটার তালিকায় মোট ৯৭.৫ লক্ষের নাম রয়েছে। ৪৭.৫ লাখ ভোটারের নাম নানা কারণে বাদ পড়েছে।
কী করতে হবে?
ইআরও (ERO) জানিয়েছে, যাদের নাম বা অভিভাবকের নাম খসড়া ভোটার তালিকায় নেই, তারা ফর্ম ৬-র মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ১০ অক্টোবরের মধ্যে নোটিসের নিষ্পত্তির কাজ শেষ করতে হবে।
