
নয়া দিল্লি: রাজধানীতে এসআইআর নিয়ে তুমুল হইচই। দিল্লিতে এসআইআর (SIR)এ খসড়া তালিকায় নাম বাদ পড়েছে খোদ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধুর। এছাড়াও প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবাণী থেকে শুরু করে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল থেকে বর্তমান মুখ্য়মন্ত্রী রেখা গুপ্তার নাম বাদ পড়েছে। কেন দেশের নেতা-মন্ত্রীদেরই নাম বাদ পড়ছে, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
দিল্লিতে এসআইআরের খসড়া তালিকা প্রকাশ হয়েছে গত ৩১ অগস্ট। এরপরই দেখা যায় রাজ্যের নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে দেশের নামকরা আইনজীবী, এমনকী বিদেশ সচিবের নামও বাদ পড়েছে খসড়া তালিকা থেকে। বাদের তালিকায় রয়েছেন দিল্লির তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরীবাল ও তাঁর পরিবার। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার নামও বাদ পড়েছে বয়সের ফারাকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে।
নাম বাদ পড়েছে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আদবাণী, প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। এছাড়াও দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া, দিল্লির প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নজীব জং, সিবিআই ডিরেক্টর প্রবীণ সুদ, সেনাবাহিনীর প্রাক্তন প্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী এবং সেবি (SEBI)-র চেয়ারম্যান তুহিনকান্ত পাণ্ডের নাম বাদ পড়েছে। নোটিস পাঠানো হয়েছে আইনজীবী কপিল সিবল, অভিষেক মনু সিংভিরও।
এছাড়াও ভারত সরকারের একাধিক মন্ত্রকের সচিবদের নাম বাদ পড়েছে। নোটিস পেয়েছেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কাউন্সিলের প্রয়াত প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিবেক দেবরায়ের নামেও পাঠানো হয়েছে নোটিস।
নির্বাচন কমিশনের দাবি, ভিভিআইপিদের নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। তাদের নোটিস পাঠানো হয়েছে। শুনানি ছাড়া কারোর নাম বাদ দেওয়া হবে না।
তবে ইআরও (ERO) বা বিএলও (BLO)-র কাছে সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সাধারণ মানুষের মতোই ভিভিআইপিদেরও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে। ২৯ অক্টোবরের মধ্যে সব নথি খতিয়ে দেখে, শুনানি শেষ করা হবে। এরপর
৪ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।