Supreme Court: বিএলওদের জীবনের ঝুঁকি, তাই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানতে চায় না কমিশন
হলফনামায় কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে, একের পর এক ঘটনাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে পঞ্চায়েত ভবনস্তরে কাজ করার উপযুক্ত পরিবেশ নেই। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে কমিশনের হলফনামায়। শনিবার এসআইআর শুনানির শেষ দিনে এই হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে। শুনানির দিন আরও বাড়ানো হবে বলে সূত্রের খবর।

নয়া দিল্লি: হিংসার অভিযোগে পঞ্চায়েত ভবনে এসআইআর (SIR) শুনানি চায়না নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন এবং দোলা সেনের মামলায় পাল্টা হলফনামা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জানাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। হলফনামায় কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে, একের পর এক ঘটনাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে পঞ্চায়েত ভবনস্তরে কাজ করার উপযুক্ত পরিবেশ নেই। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে কমিশনের হলফনামায়। শনিবার এসআইআর শুনানির শেষ দিনে এই হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে। শুনানির দিন আরও বাড়ানো হবে বলে সূত্রের খবর।
হলফনামায় ইটাহার, ফরাক্কা, চাকুলিয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় পঞ্চায়েত স্তরের ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মাইক্রো অবজার্ভার, বিএলও এবং কমিশনের আধিকারিকরা নিজেদের জীবনের ভয় পাচ্ছেন বলেও দাবি করা হয়েছে হলফনামায়। শুনানি চলাকালীন ফরাক্কা, চাকুলিয়ার মতো জায়গায় রীতিমতো রণক্ষেত্রের ছবি দেখা যায়। বিডিও অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ভয়ঙ্কর ছবিও সামনে আসে।
গত ১৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের নির্দেশ ছিল, পঞ্চায়েত ভবনে শুনানি করতে হবে। তৃণমূলের আর্জি মেনেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। হিংসার প্রেক্ষাপটের কথা তুলে সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ পরিবর্তন করার আবেদন জানানো হয়।
শনিবার ছিল শুনানির শেষ দিন। কিন্তু বাংলার ভোটারদের কথা মাথায় রেখে এবং বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থার কথা মাথায় রেখে সেই সময়সীমায় বদল ঘটানোর কথা ভাবছে কমিশন। এদিন চিঠি পাঠিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে বাংলার এসআইআর শুনানির জন্য বাড়তি সময় চেয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।
