Gas Booking Rule Change: শহরে ২৫, গ্রামে ৪৫ দিনের আগে বুকিং নয়! গ্যাসের নিয়মে বিরাট বদল, কেন এমন সিদ্ধান্ত?
Gas Booking: ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, বসেছে সোলার প্যানেল। সন্ধ্যা নামলেই প্রদীপ, লণ্ঠণের মাঝে জমাট অন্ধকারের ছবি এখন অনেকটাই অতীত। গ্রামাঞ্চলের ঘরে ঘরে যেমন বহু বছর ধরেই স্মার্টফোনের দাপাদাপি, তেমনই হেঁসেলেও কাঠের উনুনে পিছনে ফেলে কবেই ঢুকে পড়েছে গ্যাস-ওভেন।

কলকাতা: বেড়েছে দাম, সঙ্গে আকাল। এরইমধ্যে আবার গ্যাস বুকিংয়ের ফের নিয়ম বদল কেন্দ্রের। শহরাঞ্চলে ২৫ দিন করা যাচ্ছে বুকিং, কিন্তু গ্রামাঞ্চলে তা বেড়ে ৪৫ দিন। আগে ১৫ দিন অন্তর করা যেত। সেটাই এখন বেড়ে ৪৫। ওই সময়সীমার আগে কোনওভাবেই করা যাবে না নতুন গ্যাসের বুকিং। খবর সামনে আসতেই তা নিয়ে জোর শোরগোল নাগরিক মহলে। এদিকে কালের গতিতে, নগরায়নের আধিপত্তে, বিশ্বায়নের ছোঁয়া, আগের থেকে এখন অনেকটাই মুছে গিয়েছে গ্রাম-মফঃস্বল-শহরের বেড়াজাল। আধুনিক হয়েছে গ্রামীণ জীবনও। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, বসেছে সোলার প্যানেল। সন্ধ্যা নামলেই প্রদীপ, লণ্ঠণের মাঝে জমাট অন্ধকারের ছবি এখন অনেকটাই অতীত। গ্রামাঞ্চলের ঘরে ঘরে যেমন বহু বছর ধরেই স্মার্টফোনের দাপাদাপি, তেমনই হেঁসেলেও কাঠের উনুনে পিছনে ফেলে কবেই ঢুকে পড়েছে গ্যাস-ওভেন। সেখানে এভাবে হঠাৎ বেড়া কেন টানা হচ্ছে সেই প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।
গ্যাস ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বিজন বিশ্বাস যদিও দিচ্ছেন অন্য যুক্তি। তিনি আবার বলছেন, “গ্রামাঞ্চলের বহু গ্রাহক এক দেড় বছর ধরে গ্যাস বুকিং করতেন না। এখন দেখা যাচ্ছে তাঁরাও বুকিং করছেন। সঙ্কটকালে চাহিদা বাড়ছে গ্রামাঞ্চলেও। কিন্তু এটা বাস্তবের চাহিদা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে সেটা ভাবাচ্ছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রককে।”
একইসঙ্গে তাঁর মত, যাঁদের সত্যিই গ্যাসের প্রয়োজন ছিল তাঁরা এই সিদ্ধান্তের ফলে কিছুটা বেকায়দায় পড়বেন। বিজনবাবু বলছেন, “আমাদের পুরো ফুড ইন্ডাস্ট্রি বসে যাচ্ছে কারণ কমারসিয়াল সাপ্লাই নেই, শুধু ডোমেস্টিক সাপ্লাই আছে। এই অবস্থায় কেন্দ্র হয়তো ভাবছে গ্রামাঞ্চলে আচমকা বুকিং যে বেড়ে গিয়েছে সেটা ঘুরপথে হোটেল, রেস্তোরাঁতে যাচ্ছে। সে কারণেই ওরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু গ্রামাঞ্চলের যাদের সত্যি গ্য়াসের প্রয়োজন রয়েছে তাঁরা সমস্যায় পড়বেন।”
