
নয়া দিল্লি: লোকসভা নির্বাচনের মুখে অন্তর্বর্তী জামিনে ছাড়া পেয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল। কিন্তু, মুক্তি পেলেন না আর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। জামিনের আবেদন জানিয়ে মামলা করেছিলেন হেমন্ত সোরেন। সোমবার ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্ট। এদিকে, সুপ্রিম কোর্টেও জামিনের আবেদন জানিয়েছেন হেমন্ত সোরেন। সেই মামলায় ইডি-কে নোটিস দিয়েছে শীর্ষ আদালত। রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্টে শুনানি শেষ হয়েছিল আগেই। সোমবার আবেদন খারিজ করার কথা জানিয়েছে আদালত।
এদিকে, সুপ্রিম কোর্টে হেমন্তের গ্রেফতারি অবৈধ বলে দাবি করে একটি মামলা হয়েছিল। এদিন সেই মামলার মাঝেই অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। এদিন হেমন্ত সোরেনের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, “জেল থেকে মুক্তি পাওয়া নিয়ে চিন্তিত নন সোরেন, কারণ জেল থেকে যে তিনি মুক্তি পাবেন, তা জানা কথা। শুধু কবে মুক্তি পাবেন, সেটাই হল চিন্তার বিষয়।”
মূলত অরবিন্দ কেজরীবালের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনকে হাতিয়ার করে শীর্ষ আদালতে জামিনের আবেদন জানিয়েছেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার জন্যই আবেদন জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ইডি-কে নোটিস দিয়েছে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর বেঞ্চ।
প্রাথমিকভাবে, জুলাইতে অর্থাৎ আদালতের গ্রীষ্মকালীন ছুটির পর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছিল আদালত। কিন্তু কপিল সিব্বল উল্লেখ করেন, ততদিনে লোকসভা নির্বাচন শেষ হয়ে যাবে। প্রচারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে জরুরি শুনানির পক্ষে সওয়াল করেন সিব্বল। এরপর ১৭ মে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আর্থিক প্রতারণার মামলায় হেমন্ত সোরেনকে গ্রেফতার করে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বর্তমানে জেলে রয়েছেন তিনি। এদিকে, ভোট প্রচারে অংশ নেওয়ার যুক্তিতেই অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছেন অরবিন্দ কেজরীবাল।