AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

High Court: শুধু স্বামীর ‘গার্লফ্রেন্ড’ বলেই ৪৯৮ ধারা থেকে ছাড় পেয়ে গেলেন মহিলা, কী বলল হাইকোর্ট

498A IPC: মামলাকারী একজন পুলিশকর্মী। এক সেনা জওয়ানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয় ২০১৬ সালে। বিয়ের সাত মাসের মধ্যে হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের পাশাপাশি পণ নিয়ে চাপ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে স্বামী, তাঁর আত্মীয় ও স্বামীর প্রেমিকার বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে

High Court: শুধু স্বামীর 'গার্লফ্রেন্ড' বলেই ৪৯৮ ধারা থেকে ছাড় পেয়ে গেলেন মহিলা, কী বলল হাইকোর্ট
প্রতীকী ছবিImage Credit: AI Generated Image
| Updated on: Apr 18, 2026 | 12:11 PM
Share

শ্রীনগর: স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক আছে বলেই কোনও মহিলাকে আত্মীয় বলা যায় না। এই যুক্তিতেই অভিযোগ থেকে ছাড় পেলেন এক মহিলা। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮ এ ধারা অনুযায়ী হেনস্থা বা অত্যাচারের অভিযোগ করতে পারেন কোনও মহিলা। তবে সে ক্ষেত্রে স্বামী বা তাঁর আত্মীয়রই ওই আইনের আওতায় পড়েন। সেই তালিকায় পড়ছেন না বলেই, ছাড় পেয়ে গেলেন অভিযুক্ত।

কী সেই মামলা?

পণের জন্য চাপ ও দিনের পর দিন মানসিক চাপ দেওয়ার অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক মহিলা। জম্মু ও কাশ্মীর ও লাদাখ হাই কোর্টে চলছিল সেই মামলা। মামলাকারী একজন পুলিশকর্মী। এক সেনা জওয়ানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয় ২০১৬ সালে। বিয়ের সাত মাসের মধ্যে হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের পাশাপাশি পণ নিয়ে চাপ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে স্বামী, তাঁর আত্মীয় ও স্বামীর প্রেমিকার বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ও রণবীর পেনাল কোডের ৫০৬ ধারায়। অনুচ্ছেদ ৩৭০ লাগু থাকাকালীন রণবীর পেনাল কোড শুধুমাত্র কাশ্মীরের জন্য কার্যকর ছিল। মহিলার অভিযোগ ছিল, তাঁর স্বামীর সঙ্গে আরতি দেবী নামে এক মহিলার সম্পর্ক আছে।

কী বললেন বিচারপতি?

৪৯৮ ধারায় আরতি দেবীকে অভিযুক্তের তালিকায় ফেলা যাচ্ছে না বলে উল্লেখ করল হাইকোর্ট। বিচারপতি শাহজাদ আজিম বলেন, ‘কোনও অবস্থাতেই স্বামীর প্রেমিকাকে স্বামীর আত্মীয় বলে ধরা যায় না। আত্মীয় শব্দটার একটা পরিধি আছে। প্রেমিকা সেই পরিধির মধ্যে পড়ে না।’ এই পর্যবেক্ষণ দিতে গিয়ে বিচারপতি ২০০৯ ও ২০২৪-এর সুপ্রিম কোর্টের দুটি রায়ের কথা উল্লেখ করেন। সেখানেও বলা হয়েছিল যে ৪৯৮-এ ধারায় প্রেমিকাকে অভিযুক্ত করা যাবে না। হাইকোর্টের স্পষ্ট বক্তব্য, ‘প্রেমিকার সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক নেই, বিয়ে হয়নি, কেউ দত্তকও নেয়নি। প্রেমিকের বাড়িতে থাকতেন না তিনি। তাই তাঁকে কোনওভাবেই আত্মীয় বলা যায় না।’

আগেও উঠেছে এই প্রশ্ন

২০২৪-এ বম্বে হাইকোর্টেও একটি মামলায় এই একই প্রশ্ন ওঠে। নাগপুর বেঞ্চে চলছিল একটি মামলা। সেখানে বিচারপতি বিভা কঙ্কনওয়াড়ি এবং বিচারপতি বৃশালি যোশী পর্যবেক্ষণে বলেছিলেন, স্বামীর প্রেমিকাকে আত্মীয় হিসেবে বিবেচনা করা যায় না, ফলে তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারা লাগু করা যায় না। আসলে ৪৯৮এ ধারা অনুসারে, বিবাহিত মহিলা যদি তাঁর স্বামী বা স্বামীর আত্মীয়দের দ্বারা হয়রানি বা হেনস্থার শিকার হয়, তাহলে তা অপরাধ, যার জন্য তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা সহ শাস্তির বিধান রয়েছে, সেই কারণেই এই আইনে প্রেমিকাকে অভিযুক্ত করা যায় না।

Follow Us