
নয়া দিল্লি : রাতারাতি সমীকরণ বদলাতে চলেছে ইন্ডিয়া জোটের (INDIA Alliance)? পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচনের ফলপ্রকাশ হয়েছে গতকাল। রেজাল্ট আউটের (WB Assembly Election Result 2026) পরই দেখা গিয়েছে, কেরলম (Keralam) ছাড়া বাকি সব রাজ্যে পরাজিত হয়েছে কংগ্রেস। আর তারপরই ইন্ডিয়া জোটে পুরো ছবিটা বদলাতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। টিভিকে নেতা থলপতিকে ফোন করেছিলেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। আর তারপর থেকেই জল্পনার মেঘ আরও ঘনাচ্ছে যে বিরোধী বৃত্তে এবার ভাঙন ধরতে চলেছে? এর পিছনে বেশ কিছু তত্ত্ব উঠে আসছে।
জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিনের সহযোগী ডিএমকের হাত ছেড়ে বিজয়ের টিভিকে-র হাত ধরতে পারে কংগ্রেস। বিজয়কে রাহুল ফোন করতেই সেই জল্পনা আরও জোরালো হচ্ছে। এদিকে, তামিলনাড়ুতে বিরোধী আসনে বসবে ডিএমকে। তবে কি দীর্ঘদিনের সহযোগী স্ট্যালিনের হাত ছাড়তে চলেছেন রাহুল গান্ধী? তুঙ্গে জল্পনা।
এদিকে কেরলমে বাম সরকারের পতন ঘটেছে। এখন তারা বিরোধী আসনে। সেক্ষেত্রে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে রাজ্য রাজনীতির তাগিদে সম্মুখ সমরে নামতে হবে বামেদের। আর সেখানেই প্রশ্ন উঠছে, জাতীয় রাজনীতিতে ইন্ডিয়া জোটে কংগ্রেসের পাশে বামেরা কতটা থাকবে বা থাকতে পারে। এদিকে, সামনে উত্তর প্রদেশ নির্বাচন। একের পর এক নির্বাচন স্পষ্ট করে দিয়েছে, আপাতত কংগ্রেসের পালে হাওয়া নেই। স্বাভাবিকভাবেই, উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের হাত ধরে অখিলেশ যাদব চলতে চাইবে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারতেই তাঁকে ফোন করেন রাহুল গান্ধী। ১০০ আসন চুরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন রাহুল গান্ধী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই একই অভিযোগ তুলেছিলেন মমতা। তাঁর সঙ্গেই সহমত পোষণ করেছেন রাহুলও। একইসঙ্গে জানা যাচ্ছে, ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকও বসতে চলেছে আগামী সপ্তাহে। ভোট চুরিকে এজেন্ডা করে দেশজুড়ে প্রচারের কৌশল ঠিক করতেই এই বৈঠক বলে জানা গিয়েছে। একইসঙ্গে অসম, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ুর ভোট পর্যালোচনা করা হবে বৈঠকে। আলোচনা হবে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে।