
নয়া দিল্লি: ভোটে পরাজয়। এবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেই অস্ত্রে শান দিচ্ছে বিরোধী দলগুলি? ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রী তথা মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) গ্রেফতারির দাবি করেছেন। এবার নির্বাচন কমিশনারদের মতানৈকের খবরকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করতে চূড়ান্ত তৎপরতা শুরু ইন্ডিয়া জোটে (INDIA Alliance)। এপ্রিল মাসে রাজ্যসভায় জমা দেওয়া জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের নোটিস নিয়ে নতুন কী পদক্ষেপ করা যায়, তা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দুই কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী বারংবার আপত্তি তুলেছিলেন। লিখিতভাবে তারা ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তির কথাও জানিয়েছিলেন।
এই খবর সামনে আসতেই তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এবার সেই মতানৈক্যকে হাতিয়ার করেই সরব হওয়ার পরিকল্পনা করছে বিরোধীরা। এখনই ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক বসবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হলেও এই বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন মমতা, রাহুল গান্ধী, কেজরীবাল, অখিলেশরা। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করতে যৌথ কর্মসূচির রূপরেখা ঠিক করা হবে।
জাতীয় নির্বাচন কমিশনে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তি ও মতানৈক্য নিয়ে বুধবার খবর প্রকাশ্যে আসার পরই আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরীবাল, সিপিএম সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি, কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভির মধ্যে একপ্রস্থ আলোচনা হয়। সিপিএম সাংসদ জন ব্রিটাস, এনসিপি নেত্রী সুপ্রিয়া সুলে-সহ একাধিক নেতাদের সঙ্গে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে জমা দেওয়া অপসারণের নোটিস নিয়ে কথা বলেছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন।
প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের ২৪ এপ্রিল জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে এই নোটিস জমা পড়লেও, এখনও রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এই নোটিস গ্রহণ করেননি।