Jai Palestine slogans in Parliament: শপথগ্রহণের সময় লোকসভায় উঠল ‘জয় প্যালেস্তাইন’ স্লোগান!

Jai Palestine slogans in Parliament: শপথ গ্রহণের সময়ই লোকসভার অন্দরে উঠল 'জয় প্যালেস্তাইন' স্লোগান! তবে শুধু প্যালেস্তাইনের নামেই স্লোগান নয়, সংসদ অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন নবনির্বাচিত লোকসভা সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সাক্ষী রইল বিভিন্ন ধরনের স্লোগানের। শপথ গ্রহণের লিখিত বক্তব্যের আশপাশে যে যার মতো স্লোগান দিলেন নবনির্বাচিত সাংসদরা।

Jai Palestine slogans in Parliament: শপথগ্রহণের সময় লোকসভায় উঠল জয় প্যালেস্তাইন স্লোগান!
এদিন ছিল লোকসভা অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনImage Credit source: Twitter

Jun 25, 2024 | 6:53 PM

নয়া দিল্লি: সোমবার থেকে পথ চলা শুরু করেছে ১৮তম লোকসভা। প্রথমদিন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-সহ ১৮০ জন সাংসদ শপথ গ্রহণ করেছিলেন। মঙ্গলবার শপথ নিলেন বাকিরা। আর, এই শপথ গ্রহণের সময়ই লোকসভার অন্দরে উঠল ‘জয় প্যালেস্তাইন’ স্লোগান! তবে শুধু প্যালেস্তাইনের নামেই স্লোগান নয়, সংসদ অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন নবনির্বাচিত লোকসভা সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সাক্ষী রইল বিভিন্ন ধরনের স্লোগানের। শপথ গ্রহণের লিখিত বক্তব্যের আশপাশে যে যার মতো স্লোগান দিলেন নবনির্বাচিত সাংসদরা। জয় হিন্দু রাষ্ট্র, জয় সংবিধান থেকে শুরু করে জয় শ্রীকৃষ্ণ, জয় শ্রীরাম, হর হর মহাদেব – সবই শোনা গেল।

তবে, সবথেকে বেশি হইচই হয় হায়দরাবাদ থেকে পঞ্চম মেয়াদে নির্বাচিত এআইমিম নেতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসির শপথ গ্রহণের সময়। উর্দুতে শপথ নেন তিনি। তার আগে উর্দুতেই প্রার্থনা করেন। শপথের পর, তিনি বলেন ‘জয় ভীম, জয় মিম, জয় তেলঙ্গানা, জয় প্যালেস্টাইন’। প্যালেস্তাইনের নামে জয়ধ্বনি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে আপত্তি ওঠে। সেই সময় অধিবেশনের সভাপতিত্ব করছিলেন রাধা মোহন সিং। তিনি আশ্বাস দেন, আনুষ্ঠানিক শপথবাক্যের বাইরে কোনও মন্তব্যই রেকর্ড করা হবে না। হই-হট্টগোল তাতে থামেনি। শেষে, প্রোটেম স্পিকার ভর্তৃহরি মাহতাব ফের একই কথা বলেন। তাতে শান্ত হয় কক্ষ। পরে সংসদের বাইরে, ওয়াইসি বলেন, “অন্যান্য সদস্যরাও বিভিন্ন কথা বলছেন। আমার বক্তব্য আমি বলেছি। এটা কোথায় ভুল? সংবিধানে কোথায় নিষেধ রয়েছে? অন্যরা যা বলেছে তাও শুনে দেখুন। পড়ে দেখুন, প্যালেস্তাইন নিয়ে মহাত্মা গান্ধী কী বলেছেন।”


অন্যদিকে, বিরোধী বেঞ্চে আপত্তি ওঠে বিজেপির ছত্রপল সিং গাংওয়ারের শপথ গ্রহণ নিয়ে। বেরিলির নবনির্বাচিত সাংসদ শপথবাক্য পাঠের পর স্লোগান দেন, ‘জয় হিন্দু রাষ্ট্র, জয় ভারত’ বলে। বিরোধী নেতারা তাঁর শপথ গ্রহণ অবৈধ বলে দাবি করেন। ভর্তৃহরি মাহতাব বলেন, “আমি আগেই বলেছি, দয়া করে শপথ বা প্রতিশ্রুতি ছাড়া অন্য কিছু বলবেন না। শুধুমাত্র সেটাই রেকর্ড করা হবে। এটি নিয়ম মেনে চলতে হবে।”

তবে, এই নিয়ম এদিন প্রায় কেউই মেনে চলেননি। উত্তর প্রদেশের দুই লাডলা, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদবের মতো, বিরোধী শিবিরের অনেকেই সংবিধানের অনুলিপি হাতে নিয়ে শপথ গ্রহণ করেছেন। রায়বরেলীর সাংসদ তাঁর শপথবাক্য পাঠ শেষ করেন, ‘জয় হিন্দ, জয় সংবিধান’ বলে।


অন্যদিকে, বিজেপি নেত্রী তথা মথুরার সাংসদ হেমা মালিনী শপথবাক্য পাঠ শুরু করেন ‘রাধে রাধে’ বলে। আর শেষ করেন ‘জয় শ্রীকৃষ্ণ, জয় শ্রীরাধারমনজি, জয় ভারত মাতা কি’ বলে। গোরখপুরের বিজেপি সাংসদ রবি কিষাণ শপথ শেষ করেন ‘হর হর মহাদেব, জয় ভোলেনাথ’ স্লোগানে। মীরাটের বিজেপি সাংসদ অরুণ গোভিল, টেলিভিশনে রামের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। তিনি শপথ নেন সংস্কৃতে এবং শপথ শেষ করেন ‘জয় শ্রীরাম, জয় ভারত’ বলে।

প্রসঙ্গত, সোমবার বাংলা ভাষায় পথ নিয়েছিলেন বাংলার দুই বিজেপি সাংসদ, সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুর। মতুয়া সম্প্রদায়ের নেতা শন্তনু শপথবাক্য পাঠ শুরু করেছিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের দুই ধর্মগুরু, হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের নামে জয়ধ্বনি দিয়ে।

Follow Us