Video: চম্পাইকে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য সময় নিলেন রাজ্যপাল, বিধায়কদের অন্য রাজ্যে নিয়ে যাচ্ছে শাসকদল
Jharkhand political crisis: রাজনৈতিক মহলের মতে, ঘোড়া কেনা-বেচা ঠেকাতে কংগ্রেসের জয়ী বিধায়কদের অন্য রাজ্যে নিয়ে গিয়ে রিসর্টে লুকিয়ে রাখার ঘটনা কংগ্রেসের বর্তমান রাজনীতির একটি অংশ হয়ে উঠেছে। ঝাড়খণ্ডেও সেরকমই কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান।

রাঁচি: ঝাড়খণ্ডের রাজনৈতিক অস্থিরতা অব্যাহত। হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারের পর ২৪ ঘণ্টা হতে চলল। এখনও ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদে কেউ আসীন হতে পারলেন না। যদিও মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য শাসকদল, জেএমএম-এর তরফে চম্পাই সোরেনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর প্রতি পর্যাপ্ত সংখ্যক বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। কিন্তু, রাজভবনের তরফে এখনও কোনও পদক্ষেপ হয়নি। ফলে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি খালি রইল। অন্যদিকে, ঘোড়া কেনা-বেচার আশঙ্কায় শাসকদলের বিধায়কদের (জেএমএম, কংগ্রেস, আরজেডি) রাঁচি থেকে চ্যাটার্ড বিমানে হায়দরাবাদে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলে সূত্রের খবর। রাঁচি সার্কিট হাউস থেকে বিধায়কদের বাসে করে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে।
ভিডিয়োটিতে দেখা যাচ্ছে, রাঁচি সার্কিট হাউস থেকে একটি লাক্সারি বাস-সহ কনভয় করে শাসকদলের বিধায়কেরা বেরিয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা কোথায় যাচ্ছেন, সে ব্যাপারে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলে বিধায়কদের তরফে স্পষ্ট কোনও জবাব মেলেনি। কেবল একজনের মুখে শোনা যায়, বিমানবন্দর যাচ্ছি। কিন্তু, কেন বিমানবন্দর যাচ্ছেন, সেখান থেকে তাঁরা কোথায় যাবেন, সেটা কেউ স্পষ্ট করেননি। অনেক বিধায়ক কেবল বাসের জানালা থেকে সাংবাদিকদের উদ্দেশে হাত নেড়েছেন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ঘোড়া কেনা-বেচা ঠেকাতে কংগ্রেসের জয়ী বিধায়কদের অন্য রাজ্যে নিয়ে গিয়ে রিসর্টে লুকিয়ে রাখার ঘটনা কংগ্রেসের বর্তমান রাজনীতির একটি অংশ হয়ে উঠেছে। এক্ষেত্রেও সেরকমই কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান।
#WATCH | Amid political turmoil in Jharkhand, a bus carrying MLAs of JMM-led ruling alliance in Jharkhand leave from Circuit House, in Ranchi. pic.twitter.com/iIda15d2Nf
— ANI (@ANI) February 1, 2024
অন্যদিকে, পর্যাপ্ত সংখ্যক বিধায়কের সমর্থন রয়েছে দাবি জানিয়ে এদিন বিকালে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে দেখা করেন চম্পাই সোরেন। সমর্থিত বিধায়কদের উল্লেখ করে একটি রিপোর্ট রাজ্যপালের কাছে জমা দিয়েছেন এবং শীঘ্রই তাঁকে সরকাপর গড়ার অনুমতি দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চম্পাই সোরেন বলেন, ৪৩ জন বিধায়কের সমর্থন আমাদের রয়েছে বলে রাজ্যপালের কাছে একটি রিপোর্ট পেশ করেছি। বিধায়কের সংখ্যা বেড়ে ৪৬-৪৭ হবে বলে আমরা আশা করছি। সুতরাং সরকার গড়ায় কোনও সমস্যা নেই। আমাদের গঠবন্ধন খুব শক্তিশালী। অবিলম্বে সরকার গঠন না হলে রাজ্যে সাংবিধানিক সংকট দেখা দেবে বলেও আবেগঘন আবেদন জানিয়েছেন চম্পাই সোরেন। রাজ্যপাল শীঘ্রই তাঁর সিদ্ধান্ত জানানোর আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
