
নয়া দিল্লি: গত রবিবারই রাজধানীতে টানটান নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়। একদিকে যখন কাকলিরা অর্থাৎ তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ শিবির ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠক, যখন তাঁদের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল, ঠিক তখনই আকস্মিক ২০ নম্বর আকবর রোডে স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছে যান তৃণমূল পন্থী সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ। তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি পৌঁছে দিয়ে আসেন তাঁরা। এরপর সেই চিঠিতে সাড়া স্পিকারের। দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পরই তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সংসদদের আবেদনের প্রেক্ষিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন লোকসভার স্পিকার।
সূত্র মারফত জানা যাবে, দুই পক্ষকেই আলাদা আলাদা বৈঠকে ডাকা হবে। ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে স্পিকার অফিস থেকে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে খবর।
সূত্রের খবর, ১৫ জুন দুপুর দুটোর সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিকেল চারটের মধ্যে দেখা করার সময়সীমা দিয়ে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই সময় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হচ্ছিলেন।
স্বাভাবিকভাবেই তিনি ফোন ব্যবহার করতে পারেননি।
সূত্রের খবর, কীর্তি আজাদ স্পিকার অফিসে দেখা করে জানান, যেহেতু অভিষেক কলকাতায় ইডিতে হাজিরা দিচ্ছে, তার পক্ষে স্পিকার অফিসে এই স্বল্প সময় নোটিসে আসা সম্ভব নয়। পরবর্তী কোনও একটি তারিখে সময় দেওয়া হোক।
সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদের তরফ থেকে যে চিঠি দেওয়া হয় স্পিকারের কাছে, তাতে উল্লেখ করা হয়, তৃণমূল কংগ্রেস একটি একক ও অবিভাজ্য রাজনৈতিক দল। লোকসভায় দলের সংসদীয় শাখা রাজনৈতিক দলেরই অংশ। আইনের দৃষ্টিতে একটিই তৃণমূল কংগ্রেস, একটিই দলনেতা এবং একটিই হুইপ রয়েছে, যাঁদের ক্ষমতা আসে দলের সাংগঠনিক কাঠামো থেকে। চিঠিতে অভিষেকের তরফে আবেদন করা হয়েছে, এই ধরনের কোনও আবেদন অন্য তরফ থেকে এলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিজেদের বক্তব্য জানানোর সুযোগ দেওয়া হোক। সেই কারণেই এই স্পিকারের তলব। এদিকে, কাকলিদের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাঁরা NCPIতে যোগ দিচ্ছেন। NDAকে সাপোর্ট করবেন তাঁরা।