Manipur: রাতের অন্ধকারে কমান্ডো ব্যারাকে আরপিজি হামলা! বর্ষশেষেও উত্তপ্ত মণিপুর

Manipur: রাতের হামলার সময়, রকেট চালিত গ্রেনেড বা আরপিজিও ছোড়া হয় বলে জানিয়েছে মণিপুর পুলিশ। ব্যারাকের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং চারজন কমান্ডো অল্পবিস্তর আহত হয়েছেন। দুপুরের হামলায় স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হয়েছিলেন আরও একজন কমান্ডো।

Manipur: রাতের অন্ধকারে কমান্ডো ব্যারাকে আরপিজি হামলা! বর্ষশেষেও উত্তপ্ত মণিপুর
মণিপুরে থামছে না হিংসা (ফাইল ছবি)Image Credit source: Twitter

Dec 31, 2023 | 3:19 PM

ইম্ফল: বছরের শেষ দিনেও উত্তপ্ত মণিপুর। শনিবার দুপুরে ইম্ফল-মোরে হাইওয়েতে মণিপুর কমান্ডোদের একটি দলের উপর হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। এর কয়েক ঘণ্টা পরই, রাতে মায়ানমার সীমান্তবর্তী মোরে শহরে মণিপুর পুলিশ কমান্ডোদের এক ব্যারাকের ভিতরে ঢুকে ফের হামলা চালাল জঙ্গিরা। রাতের হামলার সময়, রকেট চালিত গ্রেনেড বা আরপিজিও ছোড়া হয় বলে জানিয়েছে মণিপুর পুলিশ। ব্যারাকের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং চারজন কমান্ডো অল্পবিস্তর আহত হয়েছেন। দুপুরের হামলায় স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হয়েছিলেন আরও একজন কমান্ডো।

মণিপুর পুলিশের এক কর্তা বলেছেন, “দুপুরের ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু রাত আনুমানিক বারোটা নাগাদ, ব্যারাকের ভেতরে ঘুমন্ত কমান্ডোদের উপর হামলা চালাতে জঙ্গিরা আরপিজি ও ভারী গোলাগুলি শুরু করেছিল। তাদের মধ্যে চারজন সামান্য আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের শব্দে তাদের মধ্যে একজনের কানের ক্ষতি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।” আহত চার কমান্ডোকে অবিলম্বে নিকটবর্তী অসম রাইফেলসের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ কর্তারা জানিয়েছেন, জঙ্গিরা সম্ভবত কাছের পাহাড়ে লুকিয়ে ছিল। রাতের অন্ধকারের আড়াল ব্যবহার করে তারা ব্যারাকে হামলা চালায়। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে তারা ব্যারাক লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

ঘটনার পর-পরই অসম রাইফেলসের শীর্ষ আধিকারিকরা মোরে শহরে উড়ে গিয়েছেন। শনিবার রাত থেকেই মোরে-কে ‘হাই অ্যালার্টে’ রাখা হয়েছে। কুকি নেতা কাইখোলাল হাওকিপ জানিয়েছেন, মধ্যরাতে পুলিশ কমান্ডোদের উপর হামলা চালিয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা। এর পিছনে কুকিদের কোনও হাত নেই বলেই দাবি করেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, “গত রাতের ঘটনার পর অসাম রাইফেলসের সিনিয়র অফিসাররা মোরে-তে এসেছেন। ফের কারফিউ জারি করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী দফায় দফায় মিটিং করছে। পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ।”

মণিপুরে গত মে মাস ধরেই সংঘর্ষ চললেও, গত প্রায় এক মাস ধরে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য মোটের উপর শান্তই ছিল। কিন্তু, শনিবার সকালে টেংনোপল জেলায় মেইতেই এবং কুকি গ্রামের স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। এই ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়। তারপর থেকেই এই জেলা জুড়ে উত্তেজনা বজায় রয়েছে।