Mobile in stomach: পেটের ভিতর আস্ত মোবাইল দেখে চোখ কপালে ডাক্তারদের, বের করা হল মুখ দিয়ে
Mobile in stomach: সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করেন। জানা যায়, রোগীর পেটে একটি মোবাইল ফোন ছিল। এরপর মঙ্গলবার এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে মুখ থেকে মোবাইলটি বের করেন সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক শালু গুপ্তা। কীভাবে পেটের ভিতর মোবাইল গেল, তা স্পষ্ট নয়।

জয়পুর: চিকিৎসকেরা অনেক অদ্ভুত ধরনের অস্ত্রোপচার করে থাকেন। তবে এক ব্যক্তির পেটের ইউএসজি করতে গিয়ে কার্যত চোখ কপালে চিকিৎসকদের। পেটের ভিতর দেখা যাচ্ছে একটি আস্ত মোবাইল। কীভাবে সম্ভব! প্রশ্ন উঠেছে, লুকিয়ে কাছে মোবাইল রাখতে গিয়েই কি এমন কাণ্ড! জেলা প্রশাসন এখনই এ বিষয়ে কিছু বলছে না। রাজস্থানের জয়পুরের ঘটনা। সেখানকার সওয়াই মানসিংহ হাসপাতালে এক রোগীর পেট পরীক্ষা করতে গিয়ে মোবাইল ফোন দেখতে পান চিকিৎসকরা। এরপর চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচার করে রোগীর পেট থেকে মোবাইল বের করেন। এই রোগী ছিলেন একজন বিচারাধীন বন্দি। কীভাবে মোবাইলটি তাঁর পেটে এল, তা এখনও পরিষ্কার নয়।
রাজস্থানের সবচেয়ে বড় হাসপাতাল এসএমএস-এর চিকিৎসকরা অনেক জটিল অস্ত্রোপচার করেছে। তবে এমন ঘটনা প্রথমবার ঘটল। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ওই বন্দিকে এসএমএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করেন। জানা যায়, রোগীর পেটে একটি মোবাইল ফোন ছিল। এরপর মঙ্গলবার এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে মুখ থেকে মোবাইলটি বের করেন সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক শালু গুপ্তা। বর্তমানে বন্দির স্বাস্থ্য ভাল আছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
তবে বন্দির পেটে কীভাবে মোবাইল ফোন ঢুকল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনুমান করা হচ্ছে মোবাইল ফোনটি বন্দি গিলে ফেলে থাকতে পারেন। কারাগারে সাধারণত মোবাইল ফোন চেক করা হয়। এমতাবস্থায়, বন্দিরা প্রায়শই তাঁদের মোবাইল ফোন লুকনোর জন্য চেষ্টা করেন। জয়পুর জেল প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে এখনও কোনও বিবৃতি আসেনি।
উল্লেখ্য, এর আগে যোধপুর সেন্ট্রাল জেলে এমন একটি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছিল। যেখানে এক বন্দি মলদ্বারে মোবাইল লুকনোর চেষ্টা করেছিলেন। এই কারণে তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। পরে মোবাইলটি অপারেশন করে বের করা হয়।
