
নয়া দিল্লি: তৃণমূল থেকে এনসিপিআই(NCPI)-তে যাওয়া তিন মুসলিম সাংসদকে নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। দিল্লিতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছিল, এনসিপিআই-তে থাকলেও, বিজেপি (BJP)-র সঙ্গে মিশে যাওয়া নিয়ে আপত্তি রয়েছে তাদের। কোন দলে থাকবেন তারা, এই জল্পনার মাঝেই বড় খবর। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে দেখা করবেন এনসিপিআই-র তিন মুসলিম সাংসদ আবু তাহের, খলিলুর রহমান ও ইউসুফ পাঠান।
এনডিএ-র বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন এনসিপিআই-র তিন মুসলিম সাংসদ। তারা সাফ জানিয়েছিলেন, এনসিপিআই-তে থাকলেও, এনডিএ-র শরিক হবেন না। সেই আবহের মাঝেই আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ।
যদিও এনসিপিআই তিন সাংসদের দাবি, নিজেদের কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি-দাওয়া ও উন্নয়ন নিয়েই কথা বলবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে। নির্বাচিত সাংসদ হিসাবে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ অত্যন্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ কারণ তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা এই তিন মুসলিম সাংসদ সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন যে এনসিপিআই-তে আছেন তারা, এনডিএ-তে নেই। বিজেপির পাশে বসা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তারা। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বাংলার পর্যবেক্ষক তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব ও সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। এরপর সুদীপ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ও দাবি করেন যে ১৬ পাতার নথি জমা দিয়েছেন, যেখানে এনসিপিআই-র ২০ সাংসদের এলাকার দাবি-দাওয়ার উল্লেখ আছে।
আজকের বৈঠকে অমিত শাহ তাদের কোনও আশ্বাস দেন কি না, অথবা বিজেপির সঙ্গে কেন দূরত্ব রাখছেন, তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় কি না, তার দিকে নজর থাকবে। কারণ এই তিন সাংসদের মন্তব্য ও অবস্থান বিজেপিকে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলেছে।