Hospital: শিশুর পায়েই রয়ে গেল সূচ, প্লাস্টার করে ছেড়ে দিল হাসপাতাল
Hospital: মুজফ্ফরপুরের এক ছাত্র পায়ে আঘাত পায়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেলাই করে দেওয়া হয় ক্ষতে। বাড়িতে ফেরার পর থেকে শুরু হয় ব্যথা। একটা সময়ের পর তার পা কার্যত অসাড় হতে শুরু করে। এরপরই তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই জানা যায় এই কীর্তির কথা।

বিহার: চিকিৎসাক্ষেত্রে গাফিলতির অভিযোগ নতুন কিছু নয়। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় এই অভিযোগ ওঠে। এমনকী ডাক্তারের গাফিলতিতে প্রাণ পর্যন্ত চলে যাওয়ার অভিযোগ আসে। এক পায়ে রোগ, অন্য পায়ে অস্ত্রোপচারের ঘটনাও দেখা যায়। এমনই এক গাফিলতির অভিযোগ এবার বিহারের মুজফ্ফরপুরে। আর সেই গাফিলতি যে কী সাংঘাতিক, শুনলে আঁতকে উঠবে যে কেউ! পায়ের মধ্যে সূচ-সহ প্লাস্টার করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
মুজফ্ফরপুরের এক ছাত্র পায়ে আঘাত পায়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেলাই করে দেওয়া হয় ক্ষতে। বাড়িতে ফেরার পর থেকে শুরু হয় ব্যথা। একটা সময়ের পর তার পা কার্যত অসাড় হতে শুরু করে। এরপরই তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই জানা যায় এই কীর্তির কথা।
গত ২৪ নভেম্বরের ঘটনা। মীনাপুরের ধরমপুর পঞ্চায়েত এলাকার একটি প্রাথমিক স্কুলে গাছের ডাল ভেঙে এক ওই ছাত্রের পায়ে পড়ে। মোট ৭ জন বাচ্চা আহত হয় সেই ঘটনায়। একজন গুরুতর জখম হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। পায়ে প্লাস্টার করে দেন ডাক্তার। অভিযোগ, সেলাইয়ের সূচ পায়েই থেকে গিয়েছিল। ১১ দিনের যন্ত্রণার পর নতুন করে চিকিৎসা শুরু হয়। তাতেই এই ঘটনা সামনে আসে। ততদিনে পায়ে সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করে। বরাত জোরে পা বেঁচে গিয়েছে। যদিও হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, লিখিত অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে।
