
নয়া দিল্লি: ছাত্র আন্দোলনকারীদের দাবি পূরণ। শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan Resignation)। আন্দোলনকারীদের তিন দাবি পূরণের পরই আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party)। তবে ককরোচ আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও, প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে সংসদে সরকারের উপর চাপ বজায় রাখতে মরিয়া কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা।
ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন থেকে সরে গেলেও, বিরোধীরা শুধু ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে সন্তুষ্ট নয়। দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে। এই দাবি তাদের। ২০ জুলাই সংসদ অভিযানে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর পুলিশি অত্যাচারের দায় নিতে হবে অমিত শাহকে। এটাও দাবি।
সোমবার সরকারের প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত বিল পেশ করা হবে, যাতে কড়া শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে। এই বিল পেশের সময় থেকেই দাবিগুলি নিয়ে সরব হবে বিরোধীরা।
এই বিষয়ে ফ্লোর কো-অর্ডিনেশন ঠিক করতে সোমবার সকাল ১০টায় সংসদে বৈঠকে বসছে ইন্ডিয়া জোটের সংসদীয় দলের নেতারা।
অন্যদিকে, বিজেপির হাতিয়ার ইউপিএ জমানা এবং কংগ্রেস-সহ বিরোধী শাসিত রাজ্যে প্রশ্নফাঁস এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার পাল্টা খতিয়ান। প্রশ্নফাঁস রুখতে আনা সংশোধনী বিলের আলোচনার পরিসরকে কাজে লাগিয়ে এই ইস্যুই তুলতে চলেছে বিজেপি।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর এবার রাম মন্দিরের চুরির ইস্যুকে পার্লামেন্টে মুখ্য হাতিয়ার করতে চাইছে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা। এই বিষয়ে আলোচনার জন্য সংসদে দুই কক্ষে মুলতবি প্রস্তাব জমা দিতে চলেছে একাধিক বিরোধী সাংসদ। পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে আলোচনা হবে আগামিকাল।