
কলকাতা: কয়েকদিন আগেই ধারাশায়ী হয়েছে বাংলাদেশ। এবার চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতের সামনে পাকিস্তান। হাতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। তারপরই সম্মুখসমরে দুই দেশ। কিন্তু, হাইভোল্টেজ সেই ম্যাচের আগে বড় ভবিষ্যদ্বাণী করে বসে আছেন কুম্ভখ্যাত আইআইটি বাবা। তাঁর সেই ‘প্রেডিকশন’ নিয়েই এখন জোর চর্চা গোটা দেশে।
প্রসঙ্গত, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে আলাদা করে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বন্ধ হয়েছে গিয়েছে তাও প্রায় দেড় দশকের বেশি সময় হতে চলল। তাই দুই দেশের খেলাই বর্তমানে আইসিসির এই ধরনের ইভেন্টগুলির মধ্যেই বাঁধা। কিন্তু, দুই দেশের কূটনৈতিক টানাপোড়েন, রাজনৈতিক বৈরিতা, দিল্লি-ইসলামাবাদের শীতল সম্পর্ক বরাবরই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে হাইভোল্টেজ করে তুলেছে সেই স্বাধীনতার পর থেকেই। বর্তমানে আবার সেই তালিকায় নবতম সংযোজন বাংলাদেশ। হাসিনার দেশত্যাগ, ইউনূস সরকারের আমলে কট্টরপন্থীদের দাপটে ভারতের সঙ্গে সে দেশের সম্পর্কের পারাপতন নজর কেড়েছে গোটা বিশ্বেরই। ভারত বিদ্বেষের চাষ চলছে ‘সোনার বাংলার’ দিকে দিকে। এই আবহে বাংলাদেশ ম্যাচের দিকে ছিল বাড়তি নজর। কিন্তু, ৬ উইকেটে বাংলাদেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শুরুতেই মুখে হাসি ফুটেছে ভারতের। এবার সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান।
আর এই ম্যাচ নিয় ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ করতে গিয়ে যেখানে বিখ্যাত বিখ্যাত সব ক্রীড়াবিদ, ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা ‘ধীরে চলো’ নীতি নেন, সেখানে আইআইটি বাবা দিলেন বড় চমক। সাফ বলছেন, পাকিস্তানের জয় হবে ম্যাচের শেষে। এমনকী তাঁর প্রেডিকশন যে এক্কেবারে ঠিক তা নিয়ে জোরাল বক্তব্যও রাখছেন। রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে বলছেন, আগে ভুল প্রমাণ হোক তাঁর ‘ভবিষ্যদ্বাণী’। তারপর অন্য কথা। অন্যদিকে ম্যাচ নিয়ে উন্মাদনার পারদ চড়ছে এপার বাংলাতেও। শুরু হয়ে গিয়েছে প্রার্থনা-যজ্ঞ। ভারতের জয়ের কামনায় শনিবার সন্ধ্যায় তারা মায়ের পুজো হল বিধাননগরে। চলল বিশেষ যজ্ঞ। আর সবটাই করলেন ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুরপিতা জয়দেব নস্কর। নাম দেওয়া হল ‘শত্রু নিধন যজ্ঞ’।