
নয়া দিল্লি: খালি হচ্ছে একের পর এক চেয়ার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল কার্যত সময়ের অপেক্ষা। এবার নজরে বাংলাও। পশ্চিমবঙ্গ থেকে কেউ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হন কি না, সে দিকেই নজর সকলের।
সূত্রের খবর, সংসদের বাদল অধিবেশনের আগেই মন্ত্রিসভার পুনর্গঠন সেরে ফেলতে চান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। “এক ব্যক্তি, এক পদ” ফর্মূলাতেই চলে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। এই ফর্মূলায় দ্রুত খালি হতে পারে কেন্দ্রীয় সরকারের দুই মন্ত্রক।
গতকাল, ২৩ জুন পদত্যাগ করেছেন সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ কুরিয়ান। মধ্য প্রদেশ থেকে রাজ্যসভায় যাওয়া কেরলের এই বর্ষীয়ান নেতাকে এবার আর রাজ্যসভায় প্রার্থী করেনি বিজেপি।
সূত্রের খবর, রেলের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে চলেছেন রভনীত সিং বিট্টু-ও। তাঁকেও এবার রাজ্যসভায় টিকিট দেয়নি বিজেপি।
এদিকে, কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী উত্তর প্রদেশের রাজ্য সভাপতি পদে আছেন। একইভাবে গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ মালহোত্রা সম্প্রতি দিল্লি বিজেপির সভাপতি হয়েছেন। সূত্রের খবর, মন্ত্রক ছাড়তে পারেন দুজনেই।
সেখানেই বাংলায় ঐতিহাসিক জয়ের পর এবার পূর্ণমন্ত্রকের শিকে ছেড়ে কিনা, নজর সেদিকেই। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের এই শূন্যপদগুলিতে কোন রাজ্য থেকে নতুন মন্ত্রী করা হবে, তার দিকে নজর সকলের। এনডিএ-তে শামিল হওয়া এনসিপিআই-এর সদ্য তৃণমূলত্যাগী ২০ সাংসদের কেউ কি ঠাঁই পাবে মোদীর মন্ত্রিসভায়?-বিশেষ নজর সেদিকেও।
শুধু বাংলা নয়, মহারাষ্ট্র ও উত্তর প্রদেশকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অপারেশন টাইগারের পর সাংসদ সংখ্যা বেড়েছে মহারাষ্ট্রের শিন্ডে ক্যাম্পের। গুরুত্বপূর্ণ জোট শরিক হিসেবে মন্ত্রীত্বের দাবিদার তারাও। মন্ত্রী বাছাইয়ের অঙ্ক কষার ক্ষেত্রে মাথায় রাখা হবে আসন্ন উত্তর প্রদেশ ভোটের কথাও। একইভাবে পঞ্জাবেও বিধানসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party) ভেঙে আসা রাঘব চাড্ডা ক্যাম্প গুরুত্ব পায় কিনা, বিশেষ লক্ষ্য সেদিকেও।