
গোথেনবার্গ: বাংলায় ভোটপ্রচারে এসে ঝালমুড়িতে মজেছিলেন তিনি। নেদারল্যান্ডসে সেই ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। এবার সুইডেনের গোথেনবার্গে অভিনব অভ্যর্থনায় অভিভূত হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাঙালিয়ানার ছোঁয়ায় সেই অভ্যর্থনায় অভিভূত প্রধানমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডলে লিখলেন, “সারা বিশ্বেই বাঙালি সংস্কৃতি অত্যন্ত জনপ্রিয়। সুইডেনও এর ব্যতিক্রম নয়।”
পাঁচ দেশের বিদেশ সফরে গতকাল সুইডেনের গোথেনবার্গে পৌঁছন মোদী। সেখানে তাঁকে প্রবাসী ভারতীয়রা উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। সেই অভ্যর্থনা উৎসবের আমেজে পরিণত হয়েছিল। বাঙালি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ঐতিহ্যবাহী নৃত্য এবং লাইভ অর্কেস্ট্রার মাধ্যমে গোটা পরিবেশ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে, যেখানে ভারতের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি বিশেষভাবে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দেন অনেকে। সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন ওই অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সেই অভ্যর্থনার একটি ভিডিয়ো এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এই উষ্ণ অভ্যর্থনায় তিনি যে অভিভূত, তা বুঝিয়ে দিয়েছে তাঁর হাসিমুখ। ভিডিয়ো শেয়ার করে এক্স হ্যান্ডলে বাংলায় মোদী লিখেছেন, “সারা বিশ্বেই বাঙালি সংস্কৃতি অত্যন্ত জনপ্রিয়। সুইডেনও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টারসনের উপস্থিতিতে এই অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে গৌরবময় বাঙালি সংস্কৃতির এক অসাধারণ নিদর্শন তুলে ধরা হয়েছিল।”
সারা বিশ্বেই বাঙালি সংস্কৃতি অত্যন্ত জনপ্রিয়। সুইডেনও এর ব্যতিক্রম নয়।
আয়োজিত অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে, প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টারসনের উপস্থিতিতে, গৌরবোজ্জ্বল বাঙালি সংস্কৃতির এক অনবদ্য নমুনা প্রদর্শিত হয়েছে।@SwedishPM pic.twitter.com/DjQigJE4Zn
— Narendra Modi (@narendramodi) May 17, 2026
নেদারল্যান্ডসে ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ তুলেছিলেন মোদী-
বাংলায় ভোটের প্রচারে এসে ঝাড়গ্রামে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। নেদারল্যান্ডসেও তাঁর মুখে সেই কথা শোনা গিয়েছিল। নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে প্রবাসী ভারতীয়দের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মোদী। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর কথায় উঠে আসে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার কথা। যুবসমাজ কীভাবে এআই-এর মতো সেক্টরে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তার উল্লেখ করেন। ভারতের অলিম্পিক আয়োজনের ইচ্ছাপ্রকাশও করেন। এই বক্তব্যের মাঝেই তিনি বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। অসম, বাংলার কথা বলতেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন প্রবাসী ভারতীয়রা। বক্তৃতা থামিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তারপরই বলেন, “ঝালমুড়ি কি এখানেও পৌঁছে গিয়েছে?” যা শুনে হাততালির ঝড় উঠেছিল।