PM Modi on Katchatheevu: ১ মাস আগেই চুক্তির কথা জানতেন করুণানিধি! কাচ্চাতিভু নিয়ে এবার DMK-রও মুখোশ খুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

Katchatheevu Deal: ১৯৭৪ সালে তৎকালীন ইন্দিরা গান্ধী সরকার শ্রীলঙ্কার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল, যেখানে কাচ্চতিভু ভূখণ্ডের উপরে ভারতের অধিকার প্রতাহার করে নেওয়া হয় এবং ওই ভূখণ্ড শ্রীলঙ্কাকে দিয়ে দেওয়া হয়। তার আগে ১৯৬১ সালেও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু কাচ্চাতিভু নিয়ে টানাপোড়েনকে গুরুত্বই দিতে চাননি।

PM Modi on Katchatheevu: ১ মাস আগেই চুক্তির কথা জানতেন করুণানিধি! কাচ্চাতিভু নিয়ে এবার DMK-রও মুখোশ খুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
কাচ্চাতিভু নিয়ে সামনে আসছে তথ্য।Image Credit source: TV9 বাংলা

|

Apr 01, 2024 | 12:43 PM

নয়া দিল্লি: কাচ্চাতিভু ইস্যু নিয়ে চড়ছে বিতর্কের পারদ। সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। রবিবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরটিআই রিপোর্ট তুলে দেখিয়েছিলেন যে কীভাবে ইন্দিরা গান্ধীর সরকার তামিলনাড়ুর ভূখণ্ড কাচ্চাতিভুকে শ্রীলঙ্কার হাতে তুলে দিয়েছিল। এবার পর্দাফাঁস করলেন তামিলনাড়ুর শাসক দল ডিএমকে-র। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “কাচ্চাতিভু নিয়ে নতুন তথ্য ডিএমকে-র মুখোশ খুলে দিয়েছে।”

এ দিন প্রধানমন্ত্রী মোদী এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, “তামিলনাড়ুর স্বার্থ রক্ষার জন্য কিছু করেনি। কংগ্রেস ও ডিএমকে একই পরিবারের অংশ। ওরা কেবল নিজেদের ছেলে-মেয়ে কীভাবে উঠতে পারে, সে সম্পর্কে ভাবে। ওরা আর কারোর সম্পর্কে ভাবে না। কাচ্চাতিভু নিয়ে ওঁদের গা-ছাড়া মনোভাব আমাদের গরিব মৎসজীবীদের বিরাট ক্ষতি করে দিয়েছে।”

কাচ্চাতিভু বিতর্ক-

শ্রীলঙ্কার অন্তর্গত কাচ্চাতিভু নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। সম্প্রতিই তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান কে আন্নামালাই তথ্যের অধিকার বা আরটিআই আবেদন করেছিলেন, কাচ্চাতিভু সম্পর্কে সমস্ত তথ্য প্রকাশ্যে আনার। সেই তথ্যেই জানা যায়, ইন্দিরা গান্ধীর সরকার কীভাবে ভারতের জমি শ্রীলঙ্কার হাতে তুলে দিয়েছিল। এবার কাচ্চাতিভু নিয়ে আরও চাঞ্চল্য়কর তথ্য সামনে এল। দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুর এই ছোট্ট ভূখণ্ডটি কীভাবে তৎকালীন ইন্দিরা গান্ধী সরকার শ্রীলঙ্কার হাতে তুলে দিয়েছিল, তা প্রকাশ্যে এসেছে আরটিআই-এ। এবার জানা গেল, ওই সিদ্ধান্তে তামিলনাড়ুর তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এম করুণানিধির ভূমিকা কী ছিল।

১৯৭৪ সালে তৎকালীন ইন্দিরা গান্ধী সরকার শ্রীলঙ্কার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল, যেখানে কাচ্চতিভু ভূখণ্ডের উপরে ভারতের অধিকার প্রতাহার করে নেওয়া হয় এবং ওই ভূখণ্ড শ্রীলঙ্কাকে দিয়ে দেওয়া হয়। তার আগে ১৯৬১ সালেও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু কাচ্চাতিভু নিয়ে টানাপোড়েনকে গুরুত্বই দিতে চাননি।

করুণানিধির ভূমিকা-

আরটিআই-র তথ্যে জানা গিয়েছে,  ১৯৭৪ সালের ২৩ জুলাই ডিএমকের সাংসদ এরা সেজ়িরান বলেছিলেন, “এই চুক্তি সম্পূর্ণরূপে দেশের স্বার্থবিরোধী। কোনও নিয়ম না মেনেই ভারতীয় ভূখণ্ডকে তুলে দেওয়া হয়েছে।”

কাচ্চাতিভু নিয়ে যে ইন্দিরা গান্ধী সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে, তা কেন সংসদে ও তামিলনাড়ু সরকারকে জানানো হয়নি, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ডিএমকে সাংসদ। কিন্তু পরে তিনি জানতে পারেন, কাচ্চাতিভুকে যে শ্রীলঙ্কার হাতে তুলে দেওয়া হবে, এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে এক মাস আগে থেকেই জানতেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এম করুণানিধি। এমনকী, প্রধানমন্ত্রী ও দুই-একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী ছাড়া হয়তো একমাত্র করুণানিধিই জানতেন যে এই চুক্তি হতে চলেছে।

সেই সময়ে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি সহমত। আরটিআই-তে উঠে আসা বিদেশ মন্ত্রকের নথিতে আরও জানা গিয়েছে যে সেই সময় তিনি জানতে চেয়েছিলেন যে এই সিদ্ধান্ত দুই মাসের জন্য স্থগিত বা পিছিয়ে দেওয়া যায় নাকি।

Follow Us