
নয়া দিল্লি: জল্পনা চলছিলই। শেষ পর্যন্ত ৮টি রাজ্যের ৩৯টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল কংগ্রেস। তবে বাংলার আসন নিয়ে যে কিছু সমস্যা রয়েছে তা সাংবাদিক বৈঠকে মানলেন কে সি বেনুগোপাল। এদিন ছত্তীসগঢ়, কর্নাটক, কেরল, তেলঙ্গানা, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড এবং সিকিমের মোট ৩৯টি আসনের প্রার্থী তালিকা সামনে এনেছে কংগ্রেস। ছত্তীসগঢ়ের রাজনন্দগাঁও থেকে হাত শিবিরের টিকিট পেয়েছেন ভূপেশ বাঘেল। কর্নাটকের হাসান থেকে দাঁড়াচ্ছেন শ্রেয়াস প্যাটেল, বেঙ্গালুরু গ্রামীণ থেকে দাঁড়াচ্ছেন ডি কে সুরেশ। কেরলের ওয়েনাড় থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল গান্ধী। রাহুল যে আমেঠীর বদলে ওয়েনাড় থেকে দাঁড়াচ্ছেন সেই জল্পনা আগেই শোনা গিয়েছিল। অবশেষে সেই জল্পনা সত্যি করে সামনে এল প্রার্থী তালিকা। অন্যদিকে কেরলের আলাপ্পুজা থেকে লড়ছেন কে সি বেনুগোপাল।
লোকসভা ভোট দরজায় কড়া নাড়লেও বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের আসন বণ্টনের সম্ভাবনা এখন বিশ বাঁও জলে। বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে দরজা খোলা রেখেছে হাত শিবির। অন্যদিকে বামেদের সঙ্গে বাংলায় কংগ্রেসের বোঝাপড়া নিয়েও নানা তত্ত্ব উঠে আসছে। কংগ্রেস মুর্শিদাবাদ আসন বামেদের জন্য ছাড়তে পারেন বলে সূত্রের খবর। যে আসনে লড়তে পারেন মহম্মদ সেলিম। সমঝোতা হতে পারে ২-১ আসনে। মুর্শিদাবাদ বামেদের ছাড়া হলেও বহরমপুর ও জঙ্গিপুর থাকবে হাতের হাতেই। এরইমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের আসন নিয়ে কিছু সমস্যা রয়েছে সাংবাদিক বৈঠকে মানলেন কে সি বেনুগোপাল। সাফ বললেন, আমাদের মূল লক্ষ্য বিজেপির আসন সংখ্যা যত সম্ভব কম করা। আমাদের সহযোগী দলগুলিও একই মনোভাব রাখবে এই আশাই করব।
আগামী ১৭ মার্চ মুম্বইতে ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রার সমাপ্তি জনসভা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ইন্ডিয়া জোটের সব নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। মমতা আসবেন কিনা সেই প্রশ্নের উত্তরে কেসি বেনুগোপালের জবাব, নির্বাচন সামনেই। আমরা আশা করব ইন্ডিয়া জোটের নেতারা বেশি সংখ্যায় এই সভায় যোগ দেবেন।