Indian Railway: রেলে টিকিট সঙ্গে রাখা কি বাধ্যতামূলক? কী নিয়ম আছে জানুন
Indian Railway: কাউন্টারে কাটা টিকিট যে কোনও জায়গা থেকে বাতিল করা যাবে। ট্রেন ছাড়ার পর আধ ঘণ্টা পর পর্যন্ত টিকিট বাতিল করলে রেল টাকা ফেরত দেবে। যদি টিকিটের ছবির ভিত্তিতে ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়, সে ক্ষেত্রে কেউ কেউ অপব্যবহার করতে পারে।

ভারতীয় রেলের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনলাইনে টিকিট কাটার সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও কাউন্টার থেকে টিকিট পাওয়ার সুবিধাও রয়েছে। অসংরক্ষিত টিকিট শুধুমাত্র কাউন্টার থেকে কিনতে হয়। অনলাইনে কেনা টিকিট সঙ্গে রাখার প্রয়োজন নেই, তবে কাউন্টার থেকে টিকিট কাটলে তা সঙ্গে থাকা আবশ্যক। তা না হলে জরিমানা পর্যন্ত করা হতে পারে। কাউন্টার টিকিট পাওয়া না গেলে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে যাত্রীকে ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। প্রথমত, সেই ব্যক্তিকে টিটিই-এর সামনে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি সেই একই যাত্রী যাঁর নামে টিকিটটি কাটা হয়েছে। টিটিই-কে বোঝাতে পারলে তাঁকে তাকে টিকিটের মূল্য সহ কিছু জরিমানা দিতে হবে।
টিকিট পাস থাকা জরুরি কেন?
কাউন্টারে কাটা টিকিট যে কোনও জায়গা থেকে বাতিল করা যাবে। ট্রেন ছাড়ার পর আধ ঘণ্টা পর পর্যন্ত টিকিট বাতিল করলে রেল টাকা ফেরত দেবে। যদি টিকিটের ছবির ভিত্তিতে ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়, সে ক্ষেত্রে কেউ কেউ অপব্যবহার করতে পারে। কেউ টিকিট বাতিল করতে পারে আবার টাকাও ফেরত চাইতে পারে। এতে রেলের দ্বিগুণ ক্ষতি হবে।
এই টিকিট পাসের প্রয়োজন নেই
আপনি যদি আইআরসিটিসি-র ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বুক করেন, তাহলে ভ্রমণের সময় আপনার সঙ্গে টিকিট রাখার প্রয়োজন নেই। রেল কেবল যাত্রীর মোবাইল ফোনের সিট এবং বার্থ নম্বর সহ টিকিট বৈধ টিকিট হিসেবে বিবেচনা করবে।
আপনি যদি একটি ই-টিকিট নিয়ে থাকেন তবে এটি আপনার সঙ্গে রাখার দরকার নেই। রেল শুধুমাত্র ই-টিকিটের বার্তা বা স্ক্রিনশটকে বৈধ টিকিট হিসেবে বিবেচনা করে। প্রাথমিকভাবে যাত্রীকে কেবল ই-টিকেটের প্রিন্ট আউটে ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন রেলমন্ত্রী হন, তখন ২০১২ সালে যারা ই-টিকিট নিচ্ছেন তাদের টিকিটের প্রিন্ট আউট নেওয়ার বাধ্যবাধকতা বাতিল করা হয়।
