
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। আজ, ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হল অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir)। সকাল থেকেই শুরু হয়ে যায় মন্দিরে পুজো-আচার। দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে রামলালার মূর্তি নিয়ে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এরপর শুরু হয় প্রাণ প্রতিষ্ঠার আচার। সোনার মুদ্রা দিয়ে মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। গর্ভগৃহে উপস্থিত ছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, রাজ্য়পাল আনন্দীবেন পটেল, আরএসএস প্রধান মোহন ভগবত ও রাম মন্দিরের প্রধান পুজারী। রাম মন্দিরের উদ্বোধন উপলক্ষে দেশ-বিদেশ থেকে আসেন হাজারো অতিথি। রাজনীতিবিদ থেকে অভিনেতা, খেলোয়াড়-সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। রাম মন্দির উদ্বোধন ও প্রাণ প্রতিষ্ঠার লাইভ আপডেট দেখে নিন-
সন্ধের অন্ধকার নামতেই সরযূ নদীর ঘাটে আলোকিত হল প্রদীপে। রামজ্যোতি দ্বালার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদী।
জন সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার পর, অযোধ্যায় ভগবান শিবের পুজো করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। ফুল দিলেন জটায়ু পাখিকেও।
রাম মন্দিরের নির্মাণকর্মীদের উপর পুষ্প বর্ষণ করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
জনসভার পর, অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ‘প্রাণ প্রতিস্থা’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট দের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তাঁদের মধ্যে ছিলেন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান তথা এমডি মুকেশ অম্বানি, তাঁর স্ত্রী নীতা অম্বানি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়া, তাঁর পূত্র এইচডি কুমারস্বামী, অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন প্রমুখ।
এটা রাম রূপে জাতীয় চেতনার মন্দির। রাম ভারতের বিশ্বাস, রাম ভারতের ভিত্তি। রাম ভারতের ধারণা, রাম ভারতের আইন। রাম ভারতের গৌরব, রাম নেতা এবং রাম নীতি। রাম চিরন্তন। রামকে যখন সম্মান দেওয়া হয়, তার প্রভাব বছরের পর বছর বা শতাব্দী ধরে থাকে না, বরং এর প্রভাব হাজার হাজার বছর ধরে থাকে। বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
এক সময় কিছু লোক বলত, রাম মন্দির তৈরি হলে দেশে আগুন লেগে যাবে। এরা ভারতের সামাজিক ভাবের পবিত্রতাকে জানত পারেননি। রামলালার এই মন্দির নির্মাণ, ভারতীয় সমাজের শান্তি, ধৈর্য, সদ্ভাবের প্রতীক। এই নির্মাণ কোনও আগুন নয়, শক্তির জন্ম দিচ্ছে। আমি আজ ওই লোকদের বলব, নিজেদের ভাবনা ফের বিবেচনা করে দেখুন। উপলব্ধি করুন, রাম বিবাদ নয়, রাম সমাধান। রাম আগুন নয়, রাম শক্তি। রাম শুধু বর্তমান নয়, রাম চিরন্তন।
জীবন প্রবাহের মতো নিরন্তর বয়ে চলে রামরস। রামকথা অসীম। কিন্তু, রামের শিক্ষা সব জায়গায় এক। বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি আরও বলেন, এটা শুধু আমাদের বিজয় নয়, বিনয়েরও সময়। আমাদের ভবিষ্যৎ, আমাদের অতীতের থেকে সুন্ধর হতে চলেছে।
যখন প্রভু রাম সমুদ্রে সেতুবন্ধন করেছিলেন, সেই সময় কালচক্র বদলেছিল। আমি কাল সেখানে পুষ্পাঞ্জলি দিয়েছি। সেই সময় আমি উপলব্ধি করেছি, এবার আরও একবার কালচক্র বদলাবে। সুসময়ের দিকে এগিয়ে যাবে ভারত।
ভারতের সংবিধানে প্রভু রাম বিরাজমান। সেই সংবিধান প্রবর্তনের পরও, কয়েক দশক ধরে প্রভু রামেপ অস্তিত্ব নিয়ে আইনি লড়াই চলেছে। ভারতের বিচার ব্যবস্থা, আইনের লজ্জা রক্ষা করেছে।
আমাদের ত্যাগ-তপস্যায় নিশ্চই কিছু খাদ ছিল। তাই আমরা এতদিন এই কাজ সম্পূর্ণ করতে পারিনি। আজ সেই খাদ পূর্ণ করতে পেরেছি আমরা। এই দেরির জন্য প্রভু রাম নিশ্চই আমাদের ক্ষমা করবেন।
কয়েক শতাব্দী পর আমাদের প্রভু রাম ফিরে এলেন। আমার অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু আবেগে কন্ঠ অবরুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। এটা পবিত্রতম সময়। প্রভু রাম আমাদের আশীর্বাদ করছেন। আজকের সূর্য এক অদ্ভুত আভা নিয়ে এসেছে। ২২ জানুয়ারি ২০২৪ কোনও তারিখ নয়, এটা নয়া কালচক্রের সূচনা। হাজার বছর পরও মানুষ এই দিনের কথা বলবে।
যে ধর্মস্থাপনা করতে চেয়েছিলেন রাম, সেই ধর্ম স্থাপনা করতে হবে। রামলালা এসেছেন আমাদের উৎসাহ দিতে। এই ব্রত নিয়ে যদি আমরা এখান থেকে ফিরে যাই, তাহলে মন্দির নির্মাণ হতে হতে ভারত বিশ্বগুরুতে পরিণত হবে। বললেন মোহন ভাগবৎ।
মোহন ভাগবৎ বললেন, আমি নরেন্দ্র মোদীকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। উনি তপস্বী। এবার আমাদেরও তপস্যা করতে হবে। রামরাজ্য আনার জন্য। অযোধ্যা থেকে ১৪ বছরের বনবাসে গিয়েছিলেন রাম। ফিরেছিলেন বিশ্বে শান্তি ফিরিয়ে। এবার ৫৫০ বছর পর ফিরে এসেছেন রাম। এবার রামরাজ্য আনার দায়িত্ব আমাদের। আমাদের দম্ভহীন হতে হবে। করুণার পথে, সূচিতার পথে চলতে হবে। এর জন্য সংযম প্রয়োজন। লোভ না করে, জীবনে অনুশাসন আনতে হবে। সামাজিক জীবনে অনুশাসন পালন করাই দেশভক্তি।
ভবিষ্যতে গোটা বিশ্বকে দুর্যোগের সময় বাঁচাবে ভারত। আজকের অনুষ্ঠান তারই ইঙ্গিত। বললেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবৎ।
যেখানে সঙ্কল্প ছিল, সেখানেই মন্দির বানানো হল। বললেন যোগী আ্রদিত্যনাথ। তিনি আরও জানান, এটা প্রধানমন্ত্রী মোদীর দুরদৃষ্টি ছাড়া সম্ভব ছিল না। দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী হয়ে উঠছে অযোধ্যা। সকলেই অযোধ্যায় আসতে চাইছেন। এটা ঙভারতের গৌরবের পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বললেন, আজ এমন পরিবেশ, যে মনে হচ্ছে ত্রেতা যুগে ফিরে গিয়েছি। মন ভাববিহ্বল হয়ে রয়েছে। এর আগে কোনও দেশে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের মানুষদের তাঁদের আরাধ্য দেবতার জন্মস্থানে মন্দির তৈরির জন্য এতদিন ধরে লড়াই করতে হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনশন ভাঙালেন গুরু গোবিন্দদেব
মোদীর সঙ্গে শিবাজির তুলনা করলেন গুরু গোবিন্দদেব। তিনি জানালেন, এক সময় শিবাজি ৩ দিন ধরে শিবের তপস্ব করেছিলেন। তারপর, তিনি রাজ্য ত্যাগ করে তপস্বী হতে চেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর তপস্যা তাঁকে ছত্রপতি শিবাজির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে বলে জানালেন তিনি।
গুরু গোবিন্দজি বললেন, রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার মতো পরিবর্তন আনতে গেলে সারা জীবনের সাধনা লাগে। মহাপুরুষদের উপলব্ধিই থেকেই যুগ পরিবর্তিত হয়। এইরকমই একজন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এটা শুধু আমাদের দেশের নয়, গোটা বিশ্বের সৌভাগ্য। তিনি যেভাবে গত কয়েকদিন ধরে নিজেকে শুদ্ধ করেছেন, তাতে আমি বিস্মিত হয়ে গিয়েছি। আমরা বলেছিলাম আপনাকে ৩ দিন অনশন করতে হবে। উনি ১১ দিন ধরে তা পালন করেছেন। আমরা বলেছিলাম ১১ দিন একবেলা অন্নগ্রহণ করতে। তিনি ১১ দিন ভাত খাওয়াই ছেড়ে দিয়েছেন। এই রকম একজন তপস্বী রাষ্ট্রনেতা পাওয়া আমাদের পরম সৌভাগ্য।
গুরু গোবিন্দ দেব বললেন, এটা শুধু কোনও মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা নয়, এটা ভারতের স্বাভিমানকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবৎকে রুপোর তৈরি রাম মন্দিরের মডেল উপহার দিল রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট।
প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর নির্ধারিত সূচি মেনে জনসভায় উপস্থিত হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রমুখ। তাঁদের গলবস্ত্র দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হল।
শেষ হল রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পুজো। পুজো শেষে রামলালাকে প্রদক্ষিণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এরপর মাটিতে শুয়ে পড়ে প্রণাম করেন তিনি।
আরতির পর সাদা চামর দুলিয়ে রামলালার অর্চনা করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
পুষ্পাঞ্জলি শেষ, এবার রামলালার আরতি করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
রামলালার আরতি করছেন প্রধানমন্ত্রী।
রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অর্চনা চলছে। পুজোয় সামিল হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য়নাথ।
রাম মন্দিরের ভিতরে চলছে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পুজো। সেই মুহূর্তেই আকাশ থেকে করা হল পুষ্পবৃষ্টি। সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হল রাম মন্দিরের উপরে।
রামলালার আসল মূর্তিকে গর্ভগৃহে আনা ও প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে রীতি মেনে পুজোয় বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশে বসে রয়েছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।
রামলালাকে যে রুপোর মুকুট পরানো হবে, তা মন্দিরে নিয়ে আসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
অবশেষে শুরু হল প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান। রুপোর মুকুট হাতে রাম মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পুজোয় বসেছেন তিনি।
রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সামিল গোটা অম্বানী পরিবার। কিছুক্ষণ আগেই এসে পৌঁছেছেন আকাশ ও শ্লোকা অম্বানী। তারপরই আসেন রিলায়েন্স গ্রুপের কর্ণধার মুকেশ অম্বানী, নীতা অম্বানী, অনন্ত অম্বানী।
কিংবদন্তী ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকরও এসে পৌঁছলেন রাম মন্দিরে।
গায়ক-গীতিকার শঙ্কর মহাদেবনও উপস্থিত হয়েছেন অযোধ্যার রাম মন্দিরে। প্রাণ প্রতিষ্ঠার মূল অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগে তাঁকে দেখা গেল ভজন গাইতে।
অযোধ্যায় এসে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার আগে প্রধানমন্ত্রীর বিমানের জানালা থেকে ধরা পড়ল অযোধ্যা নগরী। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, নীচে অযোধ্যার রাম মন্দির। সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। গোটা মন্দির চত্বর ঘিরে ফেলা হয়েছে গেরুয়া চাদরে।
আর কিছুক্ষণ পরই উদ্বোধন হতে চলেছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের। বিপুল ভক্তের সমাগম হয়েছে রাম মন্দিরে। দেখুন তার ছবি।
রাম মন্দিরের উদ্বোধনে আমন্ত্রণ পেয়েছে অম্বানী পরিবার। এদিন সকালে মন্দিরে এসে পৌঁছন রিলায়েন্স জিয়ো ইনফোকমের চেয়ারম্যান আকাশ অম্বানী ও তাঁর স্ত্রী শ্লোকা অম্বানী। আকাশ বলেন, “এই দিনটি ইতিহাসে লেখা থাকবে। আমরা খুব খুশি এখানে আসতে পেরে।”
রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছেন গীতিকার অনু মালিক। তিনি বলেন, “সম্প্রতিই প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন আমার সুর দেওয়া একটি ভজন ওনার খুব ভাল লেগেছে। এখানে এসে খুব ভাল লাগছে। যখন প্রথমবার রাম মন্দির দেখলাম, আমার চোখে জল চলে আসল…”
অবশেষে এসে গেল মাহেন্দ্রক্ষণ। অযোধ্যায় এসে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এখান থেকে তিনি অযোধ্যা হেলিপ্যাডে যাবেন। হেলিকপ্টারে চেপে তিনি পৌঁছবেন রাম মন্দিরে। সেখানে প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি।
অযোধ্যার রাম মন্দিরে এলেন সুপারস্টার রজনীকান্ত। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত তিনি।
অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনে হাজির বিরোধী নেতারাও। অযোধ্যায় এলেন জেডি(এস) প্রধান তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবেগৌড়া। তিনি বলেন, “অযোধ্যায় আজ ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান হতে চলেছে। এর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।”
আর কিছুক্ষণ বাদেই উদ্বোধন হতে চলেছে রাম মন্দিরের। তার আগেই রাম মন্দিরে এসে পৌঁছলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
রাম মন্দিরের উদ্বোধনে আমন্ত্রণ পেয়েছেন বলিউডের সেলিব্রেটিরা। রণবীর কাপুর-আলিয়া ভাট, ক্যাটরিনা কইফ-ভিকি কৌশল, মাধুরী দীক্ষিত, হেমা মালিনী সহ সমস্ত বলিউড সেলিব্রেটিরা একে একে পৌঁছতে শুরু করেছেন রাম মন্দিরে।
রাম মন্দিরের উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবেন বলিউডের সুপারস্টার অমিতাভ বচ্চন। সোমবার ভোরেই তিনি মুম্বই থেকে অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা দেন।
রাম মন্দিরের উদ্বোধনে আমন্ত্রণ পেয়েছেন দক্ষিণী অভিনেতা রাম চরণ। সকালেই তিনি হায়দরাবাদ থেকে অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা দেন।
রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে স্থাপন করা হল রামলালার বিরাজমান অর্থাৎ ছোট ছোট মূর্তিগুলি। এর মাধ্যমেই শেষ হল প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি।
রাম লালার মূর্তি স্থাপন করা হল।
রাম মন্দির।
রাম মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে দেশের মতোই বিদেশের মাটিতেও উৎসবের রেশ। নিউ জার্সির সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরে শ্রীরামের পুজো-বন্দনা করতে দেখা গেল অনাবাসী ভারতীয়দের।
রাম মন্দির উদ্বোধনে অযোধ্যায় উপস্থিত থাকতে না পারলেও, খড়্গপুরেই রাম মন্দিরে প্রদীপ জ্বালালেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ।
রাম মন্দিরের উদ্বোধনে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে মন্দির চত্বর। মোতায়েন করা হয়েছে বিরাট পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। থাকছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমও।
রামলালা ফিরবেন অযোধ্যায়। শুধু অযোধ্যাই নয়, গোটা উত্তর প্রদেশ সেজে উঠেছে রামলালাকে স্বাগত জানাতে। অন্যদিকে, সীতার বাপের বাড়ি, নেপালের জনকপুরও আলোর সাজে সেজে উঠল।
আজ অযোধ্যায় উদ্বোধন হতে চলেছে রাম মন্দিরের। ইতিমধ্যেই ফুলের সাজে সেজে উঠেছে রাম মন্দির। মন্দির চত্বরও ফুল ও রঙ্গোলিতে সেজে উঠেছে।
রাম মন্দিরের উদ্বোধনে মধ্যমণি যেমন রামলালা, তেমনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাম মন্দিরের উদ্বোধনের আগে ১১ দিনের এক বিশেষ আচার পালন করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১২ জানুয়ারি থেকে এই বিশেষ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল এবং এই সময় প্রধানমন্ত্রী ‘যম নিয়ম’ মেনে চলেছেন। এই আচারের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মোদী বর্তমানে মাটিতে শুচ্ছেন এবং শুধু ডাবের জল খেয়ে আছেন। সেই সঙ্গে রামায়ণ বা রামের সঙ্গে জড়িত, এমন ভারতীয় মন্দিরগুলিতে সফর করছেন তিনি।