
নয়া দিল্লি: এশিয়ান গেমসে নয়া সংযোজন। এবার যোগাসন প্রদর্শন ক্রীড়া বা ‘ডেমোনস্ট্রেশন স্পোর্টস’ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হল। যোগাসনকে প্রতিযোগীতায় পরিণত করায় আশাহত সদগুরু। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপে যোগাসনের প্রাচীন বিজ্ঞানকে সার্কাসে পরিণত করা হতে পারে।
অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পরবর্তী এশিয়ান গেমসে, যা ২০২৬ সালে হতে চলেছে, তাতে যোগাসন প্রদর্শন ক্রীড়া হিসাবে অন্তর্গত করা হবে। অলিম্পিক কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্তেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইশা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদগুরু। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন।
সদগুরুর কথায়, দীর্ঘকাল ধরে যোগাসনকে অন্তরের পরিবর্তন ও বৃদ্ধির অস্ত্র হিসাবেই দেখা হয়, যা মানুষের চেতনাকে আরও বৃদ্ধি করে। যোগাসন নিয়ে তুলনা বা প্রতিযোগীতা করা চলে না। তিনি বলেন, “যোগাসন প্রতিযোগীতা হতে পারে না। একজন মানুষের জীবনের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে, আত্মচেতনা বৃদ্ধির হাতিয়ার যোগাসন। এই নিয়ে অন্য কারোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা উচিত নয়। যোগাসনের পিছনে যে বিজ্ঞান রয়েছে, তা সার্কাসে পরিণত করা হবে।”
যোগাসন ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতা পার করতে এবং জীবনের গভীর অর্থ খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। এটি প্রতিযোগিতামূলক কাঠামোর জন্য সঠিক নয়।
আরও খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Tv9 বাংলা অ্যাপ (Android/ iOs)