
নয়া দিল্লি: তিহাড় জেল থেকে মুক্তি পাচ্ছেন সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) এই দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছিল গত ১৩ অক্টোবর। ব্যারিকেড টপকে যন্তর-মন্তরে প্রবেশ করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। প্রথমে পাঁচদিন ও পরে আরও দুদিনের জেল হেফাজত হয় তাঁদের। এই কয়েকদিন তিহাড় জেলে থাকতে হয় সৌরভ ও আশুতোষকে।
গত ১৪ অক্টোবর আদালত দু’জনকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠায়। গত ১৯ অক্টোবর তাঁদের হেফাজত আরও দু’দিনের জন্য বাড়ানো হয়। আজ, বুধবার এসইএম (SEM) কোর্ট সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। হেফাজত শেষে এদিন এই দুই নেতাকে আদালতে পেশ করা হয়। শুনানি শেষে সৌরভ ও আশুতোষকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন তাঁরা। পরে কেন্দ্রীয় সরকার যন্তর মন্তরে আন্দোলনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর তাঁদের ওই এলাকায় প্রবেশ করতে দেখা যায়।
দুদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ পাওয়ার পর জামিনের জন্য দিল্লি হাইকোর্টে গিয়েছিলেন সৌরভরা। সেখানে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে আদালত বলে, “আপনারা কেউ জেন-জি নন।” বয়স জানতে চাইলে আইনজীবীরা জানান, আশুতোষের বয়স ৩১ বছর এবং সৌরভের ২৭ বছর।
শুনানির সময় আদালত বলে যে, ২১ অক্টোবর অর্থাৎ আজ ম্যাজিস্ট্রেট এই মামলার শুনানি করবেন। সেখানেই মুক্তি পেয়ে যেতে পারেন তাঁরা। এরপর সৌরভদের আইনজীবী হাইকোর্ট থেকে তাঁদের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। তারপরই মুক্তি মিলল তাঁদের।