TCS Conversion Case: নিয়োগের সময়ই বাছা হত ‘টার্গেট’, TCS-এ কীভাবে ধর্মান্তকরণ, যৌন হেনস্থা হত মহিলা কর্মীদের, ফাঁস হল সব

TCS conversion case allegations: গত ফেব্রুয়ারি মাসে নাসিক সিটি পুলিশে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী অভিযোগ জানান। তিনি জানান যে টিসিএসের নাসিক অফিসে বিপিও ইউনিটে সন্দেহজনক কাজ হচ্ছে। বিধর্মী কাজ করছেন অনেকে। এই তথ্য পেয়েই পুলিশ গোপনে অভিযান শুরু করে।

TCS Conversion Case: নিয়োগের সময়ই বাছা হত টার্গেট, TCS-এ কীভাবে ধর্মান্তকরণ, যৌন হেনস্থা হত মহিলা কর্মীদের, ফাঁস হল সব
ফাইল চিত্র।Image Credit source: Yousuf Sarfaraz/SOPA Images/LightRocket via Getty Images

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Apr 15, 2026 | 2:45 PM

নাসিক: দেশের সবথেকে বড় তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা। সেই সংস্থার অন্দরেই কি না এমন সব ভয়ঙ্কর কাজ! ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, যৌন হেনস্থার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের নাসিক ব্রাঞ্চে। পুলিশি তদন্তে উঠে এল কীভাবে বেছে বেছে টার্গেট করা হত টিসিএসের কর্মীদের।

এনডিটিভি-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রেনিং টিম  থেকে শুরু করে এইচআর ম্যানেজার- কমপক্ষে ৭-৮ জন জড়িত ছিল এই গোটা চক্রে। তারা মহিলাদের যৌন হেনস্থা,  ধর্মান্তকরণ করত। ইতিমধ্যেই ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক এইচআর ম্যানেজার।

তদন্তে উঠে এসেছে যে টিসিএসে নতুন যারা জয়েন করত, তাদের ব্যক্তিগত তথ্য জেনে, তাদের মধ্যে থেকে নিজেদের ‘টার্গেট’ বেছে নিত। মূলত যে সকল মহিলা কর্মীদের বেতন ১৮ থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে, তাদেরই নিশানা করা হত ধর্মান্তকরণের জন্য।

নতুন যারা চাকরিতে যোগ দিচ্ছে, তাদের আর্থিক অবস্থা যাচাই করা হত। যাদের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়, পারিবারিক সমস্যা আছে, টাকার প্রয়োজন, মূলত তাদেরই টার্গেট করা হত। জানা গিয়েছে, নতুন কর্মীদের ট্রেনিংয়ের সময় একটি নির্দিষ্ট ধর্ম ও তার দেব-দেবীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করা হত। যখন এই ‘টার্গেট’-রা এমন কথাবার্তা শুনে আপসেট হত, তখন আসতেন এইচআর ম্যানেজার। ওই মহিলা কর্মীও এই ধর্মান্তকরণ গ্যাংয়ের সদস্য। তিনি পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে কর্মীদের বিশ্বাস অর্জন করতেন এবং তারপর তাদের প্রভাবিত করতেন পোশাক ও জীবনযাত্রা বদল করার জন্য। এরপরই তাদের ধর্মান্তকরণ করার জন্য জোর করা হত।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে নাসিক সিটি পুলিশে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী অভিযোগ জানান। তিনি জানান যে টিসিএসের নাসিক অফিসে বিপিও ইউনিটে সন্দেহজনক কাজ হচ্ছে। বিধর্মী কাজ করছেন অনেকে। এই তথ্য পেয়েই পুলিশ গোপনে অভিযান শুরু করে। মহিলা পুলিশ কর্মীরা হাউসকিপিং স্টাফ হিসাবে টিসিএসের অফিসে যোগ দেন। সেভাবে নজরদারি চালানোর পরই আসল সত্য সামনে আসে। জানা গিয়েছে, মহিলা কর্মীদের যৌন হেনস্থা, ধর্ষণ করা হত। তাদের জোর করে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা করা হত। একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও খুঁজে পাওয়া গিয়েছে, যেখানে ধর্মান্তকরণের প্ল্য়ানিং করা হত।

Follow Us