
নয়া দিল্লি: তৃণমূলের (TMC) জন্য সোমবার ছিল আরও একবার ধাক্কা খাওয়ার দিন। সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে বিক্ষুব্ধ ২০ সাংসদ জানান, তাঁরা পৃথক ব্লক হিসাবে NDA জোটের অংশ হতে চান। বৈঠকটি হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সরকারি বাসভবনে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ওই দিন শুধু লোকসভার সাংসদরাই ছিলেন না, সেখানে ছিলেন প্রাক্তন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। এ দিন, তিনি টিভি ৯ বাংলাকে এক্সক্লুসিভ জানালেন ওই দিন ঘরে কী কী আলোচনা হচ্ছিল।
ভিতরের আলোচনা নিয়ে কী বললেন সুখেন্দু শেখর?
গতকাল সুখেন্দুশেখর রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। ছেড়েছিলেন দলও। এরপর প্রাক্তন এই তৃণমূল নেতা জানান, তিনি চা পানে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে। তখনই ভুপেন্দ্র যাদব বলেন যে, লোকসভার কয়েকজন সাংসদও উপস্থিত। টিভি ৯ বাংলাকে রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ বলেন, “ভুপেন্দ্র বলল আপনার অন্য বন্ধুরা বসে আছে ওই ঘরে। তখন আমি গিয়ে দেখি হলঘরে বসে আছেন ওঁরা। এরপর ওঁদের সঙ্গে গল্পগুজব করলাম। এরপরই চা এল। এরপর শুভন্দু ঢুকল। আমি উঠে যেতে চাইলাম। ওরা বলল, বসুন না। আমার তো লোকসভায় ভূমিকা নেই। আমি ছিলাম ৪০ মিনিট।”
এই কথা বলতে-বলতেই তিনি জানালেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা কী কী আলোচনা করেছেন। সুখেন্দু শেখর বলেন, “প্রথমে অসুবিধা হচ্ছিল কোন পথে এগোবে। এটা ভুপেন্দ্র যাদব ও শুভেন্দু অধিকারী ক্লিয়ার করল। তাতে মহারাষ্ট্র মডেল উঠে এল। প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের রায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারপর লাঞ্চ হল। আমি চলে এলাম। আমি ৪০ মিনিট ছিলাম ভিতরে। ভুপেন্দ্র বলছিল, ওরা সংবিধান বিশ্লেষকদের পরামর্শ নিয়েছে। তারা যা বলেছেন সেটা ওদের (সাংসদদের) ব্যাখ্যা করছিল।”